ঢাকা, মঙ্গলবার,২৪ এপ্রিল ২০১৮

আরো খবর

বাউফলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১

বাউফল (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

১৭ এপ্রিল ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

বাউফলের নগরেরহাট এলাকায় গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা-ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পিটিয়ে জখম করা হয় কাবিল মৃধা (৩০) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে। ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কার্যালয়সহ তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। আহত কাবিল মৃধাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ নওমালা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান শ্রমিক লীগের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো: শাহজাদা হাওলাদার এবং সাবেক চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো: কামাল হোসেন বিশ্বাস গ্রুপের মধ্যে এ পর্যন্ত অন্তত ২০-২৫ বার ঘটে সংঘর্ষ ও হামলা-মামলার ঘটনা। সর্বশেষ গতকাল দুপুরের দিকে ওই ইউপির নগরের হাট এলাকায় শাহজাদা হাওলাদারের সমর্থক নওমালা আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজশাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বেল্লাল হোসেনের (২৩) সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয় কামাল হোসেন বিশ্বাসের সমর্থক যুবলীগ কর্মী কাবিল মৃধার (৩০)। একপর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা বেল্লাল ও তার লোকজন পিটিয়ে আহত করে কাবিলকে। এরপর কাবিলের চাচাতো ভাই ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেনের (৩৫) নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন মিলে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কার্যালয়ে। ভাঙচুর করা হয় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ, টেলিভিশন ও বিভিন্ন আসবাবপত্র। ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় ওই এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের খাবার হোটেল, শাহিনের শান্তা ফ্যাশন, জামালের ওয়ার্কশপেও। জাহাঙ্গীর হোসেনের অভিযোগ, ‘হামলাকারীরা ভাঙচুর করে ১৭ হাজার টাকাও লুটে নেয় তার।’

 

 

 

 

 

 

 

এ ঘটনার পর পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয় সেখানে।
বাউফল থানার ওসি মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫