ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

মধ্যপ্রাচ্য

বিস্ফোরক ভর্তি ইরানি ড্রোন ইসরাইলে

বিবিসি

১৬ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ০৬:৫৩


প্রিন্ট
বিস্ফোরক ভর্তি ইরানি ড্রোন ইসরাইলে

বিস্ফোরক ভর্তি ইরানি ড্রোন ইসরাইলে

গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইলের আকাশসীমায় ভূপাতিত করা ইরানি ড্রোনটি বিস্ফোরক ভর্তি ছিল এবং হামলার জন্যই পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার ইসরাইলের সেনাবাহিনী ড্রোনটির গতিপথ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক তদন্তের পর এই সিদ্ধান্তে আসার এ দাবি জানিয়েছে।

ইসরাইল জানিয়েছে, যুদ্ধের জন্য নির্মিত হেলিকপ্টার হামলাটি তারা প্রতিহত করেছে। ইরান এই ড্রোন চালিয়ে ইসরাইলের ভূখণ্ডে হামলা চালাতে চেয়েছিল। ইরানি ড্রোনটি সিরিয়ার একটি বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানো হয়েছিল। এই বিমানঘাঁটিতে পরে ইসরাইল বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় ইসরাইল একটি এফ-সিক্সটিন যুদ্ধবিমান হারায়। এই বিমানঘাঁটিতে সোমবার আবারো হামলা চালায় ইসরাইল। সর্বশেষ এই হামলায় ১৪ জন নিহতের কথা জানিয়েছে সিরিয়া ও রাশিয়া। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন ইরানিও রয়েছেন।

সব সিরীয় বিদ্রোহীর পূর্ব গৌতা ত্যাগ
এএফপি

সিরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পূর্ব গৌতা থেকে সরকারবিরোধী বাহিনীর সব সদস্য চলে গেছে। রাজধানী দামেস্কের উপকণ্ঠে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারে দুই মাসের অভিযান চালানোর পর এটি সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এলো। ওই অঞ্চলের প্রধান শহর দোমায় রাসায়নিক হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সিরীয় সরকারি বাহিনীর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার পর এই ঘোষণা দেয়া হলো। রাশিয়া ও ইরানের সহায়তায় অঞ্চলটি বিদ্রোহীদের হাত থেকে পুনর্দখলকে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের একটি বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এক সেনা মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা শনিবার জানায়, ‘সব বিদ্রোহী দোমা ছেড়ে চলে গেছে। গৌতায় ছিল তাদের সর্বশেষ ঘাঁটি।’ এক সেনামুখপাত্র বলেন, ‘দামেস্কের উপকণ্ঠে ইস্টার্ন গৌতার এলাকাগুলো বিদ্রাহীদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হয়েছে।’ দামেস্ক থেকে সামান্য পূর্বে অবস্থিত ইস্টার্ন গৌতা ছিল একটি আধা পল্লী এলাকা। এখানে প্রায় ৪ লাখ লোকের বাস। সরকারি বাহিনী অবরুদ্ধ করে রাখায় এখানে খাবার, ওষুধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে গাড়িবহর ঢুকতে পারেনি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫