ফিরে এসেছে স্নায়ুযুদ্ধ, বাড়ছে রাসায়নিক হামলা
ফিরে এসেছে স্নায়ুযুদ্ধ, বাড়ছে রাসায়নিক হামলা

ফিরে এসেছে স্নায়ুযুদ্ধ, বাড়ছে রাসায়নিক হামলা

বিবিসি

জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, স্নায়ুযুদ্ধ ফিরে এসেছে। প্রতিহিংসা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এবার ভিন্নভাবে। আগের কৌশলের চেয়ে এবারের কৌশলটা কেবল ভিন্ন। তিনি সিরিয়া নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই মন্তব্য করেন। তিনি সিরিয়া ইস্যুতে সবাইকে সতর্ক করেন।

 বৈঠকে জাতিসঙ্ঘে রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলা সাজানো বলে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরাতেই এটা করা হয়েছে। আর মার্কিন দূত নিক্কি হ্যালি গত ৭ বছরে সিরিয় সরকারের বিরুদ্ধে ৫০বার রাসায়নিক হামলার অভিযোগ আনেন।

এদিকে ২০১৩ সাল থেকে রাসায়নিক হামলায় কয়েকশ মানুষ মারা গেছে সিরিয়ায়। আরো কয়েকশ মানুষ আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিরিয়ার আলেপ্পো শহরের কাছাকাছি এলাকায় ২০১৩ সালের মার্চে প্রথমবারের মতো রাসায়নিক হামলা চালানো হয়। ১৭ টি স্থানে চালানো হয়েছিল রাসায়নিক হামলা।

এক বছর আগে খান শাইখৌন এ সারিন গ্যাস হামলা চালানো হয়। জানা গেছে, সারিন গ্যাসের কোনো স্বাদ নেই। হামলার অল্প সময়ের মধ্যেই এটি কাজ করে। নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ দিয়েও; একপর্যায়ে বমি হতে শুরু করে।

মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই হামলায় আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যেতে পারে। এছাড়া হোয়াইট ফসফরাস ব্যবহার করা হয়েছে সেখানে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই এটি ব্যবহার হয়ে আসছে। এ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহারে ব্যাপক ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়।

হোয়াইট ফসফরাস হামলায় আক্রান্তের চামড়া পুড়ে যায়। এ ধরনের রাসায়নিক হামলার ফলেও খুব দ্রুত আক্রান্তের মৃত্যু ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ক্লোরিন গ্যাসও ব্যবহার হয়েছে। যেটা ব্যবহার হয়েছে সিরিয়ায়। এছাড়া মাস্টার্ড গ্যাসও ব্যবহার হয়েছে। যদিও সিরিয়ার সরকার ও রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে, সেখানে রাসায়নিক হামলার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.