গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে 'হোয়াইট হেড'কে
গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে 'হোয়াইট হেড'কে

প্লাস্টিক সার্জারি করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়েছিল এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী (ভিডিওসহ)

নয়া দিগন্ত অনলাইন

অনেক হলিউড সিনেমায় এমনটা দেখে দেখে- কুখ্যাত সন্ত্রাসী প্লাস্টিক সার্জারি করে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এবার বাস্তবেই পাওয়া গেছে এমন একজনকে। তার নাম লুইজ কার্লোস দা রোচা। ডাক নাম 'হোয়াইট হেড'। প্রায় ৩০ বছর ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াতে সক্ষম হয়েছিল শুধু মাত্র প্লাস্টিক সার্জারির সাহায্য নিয়ে। অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।

পুলিশ বলছে, দক্ষিণ আমেরিকার কোকেনের যে বিশাল সাম্রাজ্য-সেটার নিয়ন্ত্রণকারী বা নেতা ছিলেন তিনি।

ব্রাজিল পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হচ্ছে, শনিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। তারা বলছে, "সে এমনি একজন অপরাধী যে বুদ্ধিমত্তা এবং ছায়ার মধ্যে বসবাস করতো।"

লুইজ কার্লোস দা রোচা বিভিন্ন সময়ে প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে যেমন নিজের চেহারা বদল করেছেন তেমনি একাধিক নাম রয়েছে তার। সবশেষ ভিটর লুইজ নামে তার পরিচিতি ছিল। পুলিশ এখন নিশ্চিত করেছে, এই দুই নাম একই ব্যক্তির।

ব্রাজিলের পুলিশ বলছে বলিভিয়া, পেরু, কলাম্বিয়াতে সে কোকেইন উৎপাদন করতো এবং সেটা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এবং আমেরিকাতে পাঠাতো।

তার সংস্থার ভারী অস্ত্র তৈরি, নানা প্রকার সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ বলছে, এর আগে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে তার ফলে লুইজ কার্লোস দা রোচাকে ৫০ বছর জেলে কাটাতে হবে।

তাকে ধরার জন্য অপারেশন স্পেকট্রাম নামে অভিযান চালানো হয়।

প্রতি মাসে পাঁচ টনের মত কোকেন উৎপাদন করতো তার সংস্থা।

ভিডিওতে দেখুন কীভাবে গ্রেফতার হলো এই কুখ্যাত মাদক সম্রাট- 

 

আপাদমস্তক ব্রাজিল!

আগামী জুনে শুরু হচ্ছে রাশিয়ায় ফুটবল বিশ্বকাপ। তখন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে শুরু হবে তর্কযুদ্ধ। কে কতবড় সমর্থক তা প্রমাণের চেষ্টাও শুরু হবে। কিন্তু কারো পক্ষে কি ব্রাজিলের নেলসন পাভিওত্তিকে হারানো সম্ভব?

১৯৯৪ সালের পর থেকে পেশায় আইনজীবী পাভিওত্তির জীবন শুধু হলুদ আর সবুজময়। তখন থেকে এখন পর্যন্ত যে পোশাকই তিনি পরেছেন, পায়ে যে জুতাটি লাগিয়েছেন, সবগুলোর রঙয়েই ছিল সবুজ আর হলুদের ছোঁয়া।

এমনকি খাবারও খাচ্ছেন ব্রাজিলের পতাকার রঙয়ের! সবুজ-হলুদ ফলমূল, এই দুই রঙয়ের জেলি, বাদাম, অর্থাৎ যা কিছু সবুজ আর হলুদ শুধু সেগুলোই খাচ্ছেন পাভিওত্তি।

শুধু তাই নয়, ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সময় তার বিছানার চাদর, গাড়ি, অফিসের আসবাবপত্র সবই ছিল সবুজ আর হলুদ রঙয়ের। বাড়ির সামনের রাস্তায় ছিল ব্রাজিলের পতাকা। বাড়ির সদর দরজার গ্রিলেও ছিল এই দুই রঙয়ের স্পর্শ।

কেন এমনটা করছেন পাভিওত্তি?

উত্তর, প্রিয় দলের সমর্থনে একসময় যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা রক্ষা করা।

১৯৯৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের সময় পাভিওত্তি অঙ্গীকার করেছিলেন, যদি সেবার ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতে তাহলে সারা জীবন জাতীয় পতাকার রঙয়ে কাটিয়ে দেবেন তিনি। এখন সেই কাজটিই করে যাচ্ছেন তিনি।

পাভিওত্তির এই অদ্ভুত আচরণ ফিফাসহ অনেকের নজর কেড়েছে। তাই তাকে নিয়ে নির্মিত একটি ভিডিও রাখা হয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে অবস্থিত ফিফার জাদুঘরে। সম্প্রতি সেই জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন পাভিওত্তি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.