ঢাকা, বুধবার,২৫ এপ্রিল ২০১৮

প্রশাসন

রূপপুরের জন্য ১১ হাজার কোটি টাকায় সঞ্চালন অবকাঠামো

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

১০ এপ্রিল ২০১৮,মঙ্গলবার, ১৪:২৬


প্রিন্ট
রূপপুরের জন্য ১১ হাজার কোটি টাকায় সঞ্চালন অবকাঠামো

রূপপুরের জন্য ১১ হাজার কোটি টাকায় সঞ্চালন অবকাঠামো

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য ৬৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন স্থাপন করবে সরকার। এর জন্য ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ১৫ হহাজার ৬৮৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভাশেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছন।

এছাড়া পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজের ভারী মালামাল নিরাপদে ও দ্রুত প্রকল্প এলাকায় পৌঁছাতে নতুন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে কেন্দ্র করে নেয়া দু’টি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১১ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। অন্যদিকে ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেল লাইন নির্মাণ ও সংস্কার’ প্রকল্পে।

সূত্র জানায়, শুধু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত মালবাহী ট্রেন সার্ভিস চালুর জন্য নতুন করে ২২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মিত হবে। এর মধ্যে ব্রডগেজ থেকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হবে ১৭ দশমিক ৫২ কিলোমিটার।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন রেলপথ ঈশ্বরদী বাইপাস টেক অফ পয়েন্ট থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত নতুন রেলপথটি নির্মিত হবে। এছাড়াও সাড়ে ৪ কিলোমিটার লুপ লাইন, একটি বি শ্রেণির রেলওয়ে স্টেশন, সাতটি কালভার্ট, ১৩টি লেভেল ক্রসিং ছাড়াও গেটসহ থাকছে সিগন্যালিং ব্যবস্থা। প্রকল্প দু’টি জানুয়ারি ২০১৮ থেকে জুন ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়িত হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫