ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

তুরস্ক

রোহিঙ্গা শিশুদের পাশে তুরস্ক

আনাদোলু এজেন্সি

০৯ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ১৬:২৪


প্রিন্ট
রোহিঙ্গা শিশুদের পাশে তুরস্ক

রোহিঙ্গা শিশুদের পাশে তুরস্ক

তুরস্কের আইনপ্রণেতা এবং দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল এতিম রোহিঙ্গা শিশুদের পরিদর্শন করেছে, শিশুদের সাথে খেলেছে, শিশুদের সাথে কথা বলেছে এবং এতিমখানার কার্যক্রম সম্পর্কে জেনেছে। রবিবার কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে পরিদর্শনে গিয়ে তারা তুরস্কভিত্তিক ইয়ারদিমেলি সাহায্য সংস্থার গড়ে তোলা শিক্ষা ভবন নিয়েও কথা বলেন।

কক্সবাজারে প্রায় ১২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে ইয়ারদিমেলি দারুল হিকমে এডুকেশন অ্যান্ড স্যোশাল কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে একটি মসজিদ রয়েছে। স্কুল ভবনটিতে ২০টি শ্রেণিকক্ষ, এতিম শিশুদের জন্য ৫টি আবাসিক কক্ষ ও সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বড় দুটি হল নির্মাণ করা হয়েছে।

এখানে ৫ শতাধিক শিশু পড়াশোনা করলেও ৬৪ জন শিশু সেখানে আবাসিক হিসেবে থাকছে। ২০০৮ সাল থেকে এখানে কার্যক্রম চলছে। এখানে নতুন করে ৪ শতাধিক গভীর নলকূপ, এতিমখানা ও বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

 

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার প্রস্তুত নয় জাতিসঙ্ঘের

সহকারী মহাসচিব

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার এখনো প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মানবিক বিষয় সম্পর্কিত সহকারী মহাসচিব আর্সুলা মুলার। মিয়ানমার ও রাখাইন রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অং সান সু চিসহ সংশ্লিষ্ট সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

মুলার বলেন, আমি দেখে এবং লোকজনের সাথে কথা বলে বুঝলাম সেখানে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি রয়েছে। মানুষ এখনো এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। পরিস্থিতি উদ্বাস্তুদের ফিরে আসার জন্য উপযুক্ত নয়।

সহকারী মহাসচিব বলেন, আমি মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের বলেছি সহিংসতার অবসান ঘটাতে হবে, কক্সবাজার থেকে উদ্বাস্তুদের স্বেচ্ছা ও মর্যাদার সাথে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধান করতে হবে।

রাখাইনে ফিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে নিজেদের আগের বাসায় ফিরতে দেয়া হবে কি না জানতে চাইলে মুলার বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আমি সত্যিই উদ্বিগ্ন। আমি দেখেছি পুড়িয়ে দেয়া অনেক গ্রামে বুলডোজার চালানো হয়েছে। লোকজন তাদের আদি বসতবাড়িতে ফিরছে। এমন কোনো কথা আমি শুনিনি। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনায় মুলার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানবিক সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকারের ওপর গুরুত্ব দেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫