ঢাকা, রবিবার,২২ এপ্রিল ২০১৮

গবেষণা

জার্মানিতে সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশী তরুণীর গবেষণা

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০২ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ১৫:৫৫ | আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০১৮,সোমবার, ১৬:১৮


প্রিন্ট
তরুণ গবেষক দেবযানী ঘোষ

তরুণ গবেষক দেবযানী ঘোষ

পরিবেশবান্ধব বিমান? সেটা আবার কী! এটা ঠিক, পরিবেশ দূষণে এক বড় ভূমিকা রাখছে বিমান। কিন্তু এই খাতে কি এমন কোনো বিমান ব্যবহার সম্ভব যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না? জার্মানিতে এমন এক গবেষণায় রয়েছেন বাংলাদেশের দেবযানী ঘোষ।

কোনো সাধারণ বিমান নয়, প্রথাগত জ্বালানি ছাড়া উড়তে সক্ষম এক বিমান নিয়ে গবেষণা চলছে জার্মানিতে। ইলেক্ট্রিক এই বিমান তৈরির পেছনে বিশ্বের খ্যাতিমান গবেষকদের সাথে রয়েছেন বাংলাদেশের এক তরুণীর। জার্মানির উল্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক দেবযানী ঘোষ।

হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ব্যাটারি সিস্টেম থেকে পাওয়া শক্তিতে চলবে হাইফোর বা এইচওয়াইফোর নামে পরিচিত বিমানটি। এভাবে উৎপাদিত জ্বালানি পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না, অর্থাৎ বিমানটি চলার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ একেবারেই হবে না।

এমন বিমান পৃথিবীতে এটাই প্রথম। জার্মানির মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ডিএলআর-এর পৃষ্ঠপোষকতায় হাইফোর বিমান তৈরির প্রকল্পে সম্পৃক্ত রয়েছে উল্ম বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রকল্পের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রফেসর ইয়োসেফ ক্যালো। তার অধীনে কাজ করছেন দেবযানীর মতো বেশ কয়েকজন তরুণ গবেষক। ইতোমধ্যে সাড়া জাগিয়েছে তাদের গবেষণা।

ইতোমধ্যে সফলভাবে পরীক্ষামূলক উড়াল সম্পন্ন করেছে চার সিটের হাইফোর বিমান। চলছে আরো বড় বিমান তৈরির কাজ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মনে করে, বর্তমানের যে পাঁচটি উদ্ভাবন ভবিষ্যতে বিশ্বকে রক্ষা করবে, তার একটি এই বিমান।

গবেষকদেরও আশা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে স্বল্প দূরত্বে যাত্রী পরিবহনে পরিবেশবান্ধব এই বিমান ব্যবহার সম্ভব হবে।

দেখুন তাদের গবেষণা-

 - ডয়চে ভেলে

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫