মুক্ত গদ্যের ভাব ভাষা ও গতি

ড. মোজাফফর হোসেন

অন্য কোনো প্রমাণাদি এখন অবধি না পাওয়ায় চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। চর্যাপদের নির্মাণকৌশল লক্ষ করা গেছে পদ্যের ঢঙে। প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের এই ঢঙ পরিমার্জনা ও বিবর্তনের মধ্য দিয়ে মধ্যযুগের শেষপ্রান্ত পর্যন্ত চলে এসেছে। সে ধারায় প্রাচীন এবং মধ্যযুগে পদ্যই ছিল সাহিত্যকাঠামোর একমাত্র ঢঙ। মধ্যযুগে এসে সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যকে। এ কাব্যগ্রন্থটি চর্যাপদের ভাষা ও আঙ্গিক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও রচনার ঢঙ বদলাতে না পেরে কাব্যিকরূপ ধারণ করে পদ্যঢঙেই প্রকাশিত হয়েছে। এ সময়ে মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি রচিত পদ, মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা, কৃত্তিবাস কর্তৃক সংস্কৃতগ্রন্থ রামায়ণ, মহাভারত ও ভগবতের বঙ্গানুবাদ, মালাধর বসুর শ্রীকৃষ্ণ বিজয় এবং কাশীরাম দাসের মহাভারতসহ সবই পদ্যঢঙে বঙ্গানুবাদ হয়েছে। মধ্যযুগের বিরাট পরিসর জুড়ে মঙ্গল কাব্যের বিচরণ। মঙ্গলকাব্যের সবগুলোর রচনা ঢঙও পদ্য। শ্রীচৈতন্যদেবের (১৪৮৬-১৫৩৩) আবির্ভাবে তার জীবনকাহিনী অবলম্বনে রচিত হতে থাকে জীবনী সাহিত্য। বৃন্দাবনদাসের চৈতন্যভগবত, লোচনদাসের চৈতন্যমঙ্গল, কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃত এসব গ্রন্থের প্রভাবে বৈষ্ণব ধর্মমত ব্যাপকভাবে প্রসারলাভ করে এবং রচিত হতে থাকে বৈষ্ণবপদাবলি। কিন্তু এসব পদাবলি এবং জীবনী সাহিত্যও রচিত হতে থাকে পদ্যঢঙে। মধ্যযুগের শেষপ্রান্তে এসে আঠার শতকের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরও তার অন্নদামঙ্গলকাব্যটি পদ্যঢঙেই রচনা করেন। প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রভাবশালী পদ্যসমৃদ্ধ এই ধারাটি ভাব, ভাষা, বিষয়বস্তুসহ আঙ্গিক ও কাঠামোগতভাবে বদলাতে থাকে আধুনিক যুগে এসে।

বাংলা সাহিত্যে আধুনিকযুগ শুরু হয় ১৮ শতক থেকে। উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত হলে ব্যাপকভাবে সমাজকাঠামো বদলাতে থাকে। জ্ঞানবিজ্ঞান, শিক্ষাদীক্ষা ও শিল্পসাহিত্য সাধনায় পাশ্চাত্যমুখী আবহ তৈরি হতে থাকে এ সময় থেকে। সমাজে পশ্চিমা প্রসূত নতুন হাওয়া বইতে শুরু করে। সৃষ্টি হতে থাকে নতুন নতুন বিষয়ের উদ্ভব এবং পুরাতন বিষয়ের নতুন নতুন ধারণা। ইংরেজি সাহিত্যের প্রভাবে বাংলা সাহিত্যের গঠনকাঠামোতে আসে পরিবর্তন ও পরিশীলন। প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্য; যে রস, বিষয়, আঙ্গিক বা কাঠামো নিয়ে বিকশিত হচ্ছিল আধুনিক সময়ে এসে তা পরিগ্রহ করল মুক্তছন্দে, মুক্তচেতনায়, মুক্তদর্শন ও চিন্তায়। সেই সাথে নতুন বিষয় হিসেবে বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হতে থাকল গদ্যরচনা। গদ্যের উৎকর্ষতার জন্য রচিত হতে থাকল প্রবন্ধ, নিবন্ধ, গল্প উপন্যাস, নাটক, রম্য, ব্যঙ্গসহ নানান আলেখ্যে বৈচিত্র্যময় রচনাসমগ্র যার নাম দেয়া হলো গদ্যসাহিত্য। ১৮ শতকের পূর্বে সাহিত্যগুণসমৃদ্ধ গদ্যরচনার কোনো সন্ধান পাওয়া না গেলেও বাঙালি জীবনের দৈনন্দিন কথাবার্তায় গদ্যরীতির প্রচলন তো ছিলই কিন্তু উনিশ শতকের পূর্বে তার প্রয়োগ বাংলা সাহিত্যে ঘটেনি। তবে চিঠিপত্র. দলিল দস্তাবেজ, বৈষ্ণব কড়চা বিদেশী খ্রিষ্টান কর্তৃক লিখিত ধর্মবিষয়ক গ্রন্থের বঙ্গানুবাদের সঙ্কীর্ণ সীমানায় গদ্য ছিল আবদ্ধ। আসামরাজকে উদ্দেশ করে কোচবিহারের রাজা কর্তৃক লেখা (১৫৫৫ খ্রি.) একটি পত্রকে বাংলা গদ্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও গদ্য যে বঙ্গের অন্য কোনো স্থানে রচিত হয়নি তা নিশ্চিত করে বলা যুক্তিসঙ্গত হয় না। সমারোহে গদ্যের যাত্রাটা শুরু হলো ১৮ শতকের পর থেকেই। তখন থেকে অগ্রসরমান গদ্যসাহিত্যের ধারাতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে আখ্যায়িত করা হয় বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে।
একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাংলা গদ্যের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল পর্তুগিজ পাদ্রি ও ইংরেজ পাদ্রি ও বণিকদের প্রচেষ্টায়। বাংলা গদ্যের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পাদ্রি দোম আন্তনিও কর্তৃক রচিত ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ গ্রন্থটিকে স্মরণ করা যেতে পারে। স্মরণ করা যেতে পারে মনোএল দ্য আসসুস্পাসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ গ্রন্থটিকেও। বাংলা গদ্যের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করার পেছনে শ্রীরামপুর মিশনের (১৮০০ খ্রি.) ভূমিকাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। বাংলা গদ্যে বাইবেল অনুবাদ করে খ্রিষ্টধর্ম প্রচার করার ব্যবস্থা করেছিলেন উইলিয়াম কেরি ও জোশুয়া মার্শম্যান। শ্রীরামপুর মিশন থেকে ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে গদ্যনির্ভর দিগদর্শন ও সমাচারদর্পণ পত্রিকা দুটি প্রকাশিত হয়। বাংলা গদ্যসাহিত্যে অবদান রেখেছিল ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্ন ওয়েলেসলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (১৮০০ খ্রি.)। এই কলেজের বাংলা বিভাগের দায়িত্বে আসেন উইলিয়াম কেরি। রচনা করেন কথোপকথন, ইতিহাসমালা। রামরাম বসু রচনা করেন রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র, লিপিমালা। উইলিয়াম কেরি ও রামরাম বসু ছাড়াও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে যারা গদ্যের প্রতি অনুরাগ দেখিয়েছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন তারিণীচরণ মিত্র, চণ্ডিচরণ মুনশী, হরপ্রসাদ রায়, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারসহ আরো অনেকেই। পর্তুগিজ ও ইংরেজরা বাংলা গদ্যের কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন আর তাতে প্রাণ সঞ্চার করেছেন রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, অক্ষয়কুমার দত্ত, প্যারীচাঁদ মিত্র, কালীপ্রসন্ন সিংহ, বঙ্কিমচন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায়, প্রমথ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথসহ আধুনিক সব লেখক। ধীরে ধীরে বাংলা গদ্য হয়ে ওঠে সাহিত্য রসে সমৃদ্ধ। মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যম হিসেবে গদ্যের ভাষা রূপান্তরিত হতে থাকে ভাবপ্রধান, যুক্তিনির্ভর, সরস, প্রাঞ্জল, সহজ সরল, বোধগম্য ও বক্তব্যনিষ্ঠ হয়ে। সাধারণ গদ্য থেকে সাহিত্যের গদ্যতে ভিন্নমাত্রা যোগ হতে থাকলে গদ্য তার খোলস পাল্টিয়ে গদ্যশৈলীতে আত্মপ্রকাশ করতে থাকে এবং গদ্য তার নিজস্ব ভাষা খুঁজতে থাকে।
গদ্যের ভাব ও ভাষা যে পরস্পর সম্পৃক্ত তা প্রথম অনুভব করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি গদ্যের অবয়ব নির্মাণে ভাষার সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে গদ্যরীতিকে উৎকর্ষতার উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন। বাংলা গদ্যকে জড়তা, আড়ষ্টতা, দুর্বোধ্যতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিয়ে বিদ্যাসাগর রচনা করেন বেতাল পঞ্চবিংশতি। পদ্যের মতো গদ্যেরও যে নিজস্ব ঢঙ, তাল, ছন্দ থাকতে পারে বিদ্যাসাগর সেটা গদ্যের ভেতরই আবিষ্কার করলেন। বাক্যের গঠনরীতিতে তিনি তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, ক্রিয়াপদ, বাগধারা ব্যবহার করে শব্দকুশলতার পরিচয় তুলে ধরেন। যতি বা বিরাম চিহ্নের ব্যবহার করে বাক্য-উপবাক্য সৃষ্টি করে ভাবানুসারে বাক্যের বহর বাড়িয়ে বা কমিয়ে গদ্যভাষার প্রকাশভঙ্গিকে সুললিত ও পরিচ্ছন্ন করলেন যাতে পাঠক গদ্যের বক্তব্য ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্য সহজে অনুধাবন করতে পারে।
সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য অনুসারে গদ্যের ভাষা সংস্কারে আত্মনিয়োগ করেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি বঙ্গদর্শন (১৮৭২) নামক সাহিত্যপত্র প্রবর্তনের মাধ্যমে ভাষা, সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাংলা গদ্যের ভাষাকে সহজবোধ্য করার লক্ষ্যে তিনি রচনা করলেন ‘বাঙ্গালা ভাষা’ নামক প্রবন্ধ। এ প্রবন্ধে তিনি গদ্যভাষার শব্দচয়ন ও বর্জন নিয়ে আলোচনা করে দেখালেন যে, গদ্যের ভাষা কেমন হওয়া আবশ্যক।
মীর মশাররফ হোসেন গদ্যে এনেছেন ভিন্নকরম মেজাজ। অন্যকরম আনন্দ ও গতি।
রবীন্দ্রনাথের সংস্পর্শে এসে বাংলা গদ্য আরো খানিকটা উন্নতিলাভ করতে থাকে। শব্দতত্ত্ব, ছন্দ, বাংলাভাষা পরিচয় ইত্যাদি লেখাতে ভাষাতত্ত্বমূলক রসহীন বিষয়কে সাহিত্য-বিচারবুদ্ধি দ্বারা রমণীয় করে তোলেন। রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের গদ্য মানবমনের গহিন থেকে নিঃসরিত হওয়া উদ্বেলিত ভাবের কুণ্ডলীকে নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে তোলে। রবীন্দ্রনাথের সেই গদ্য পাঠক সমাজে সগৌরবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে এবং এ পর্যন্ত আসতে বাংলা গদ্যকে অসহ্য সিজারিয়ান পিরিয়ড অতিক্রম করতে হয়েছে।
কাজী নজরুল ইসলামের গধ্যেও রয়েছে আলাদা ঢঙ। এবং নিজস্বরীতি। নজরুলের কবিতা যেমন তর একান্ত নিজ্ব। তার গদ্যও নিজস্ব বৈশিষ্টে পুষ্ট। তার গদ্যে রয়েছে অসাধারণ গতি। বক্তব্যের তীব্রতা। এবং শব্দ চয়নে যথার্থতা।
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের এই বহমান ধারাকে একপাশে রেখে গদ্যের নতুন এক সংস্করণকে মুক্তগদ্য নামে পরিচিত করার প্রয়াস লক্ষ করা যাচ্ছে। গদ্যসাহিত্যকে হয়ে উঠতে হয় সাধারণত ভাব ও ভাষার দ্যোতক হিসেবে। মুক্তগদ্যের মধ্যে সেই দ্যোতকের সংযোজন কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে ওঠে। সাহিত্যে সাধারণত ভাবকেই ভাষার মাধ্যমে পরিষ্কার করে তোলার ব্যাপারটি থাকে। কিন্তু মুক্তগদ্যে দেখা যাচ্ছে ভাষা যেখানে যেমন রূপ গ্রহণ করেছে ভাবও সেখানে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশ পাচ্ছে। অর্থাৎ গদ্যসাহিত্যে ভাব প্রকাশের যে ধারাবাহিকতা থাকে মুক্তগদ্যের মধ্যে তার অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। বাংলা পদ্যের ছন্দকে অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ছন্দের এ বিভাজনে আধুনিক কাব্যের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেন অক্ষরবৃত্ত বা মুক্তছন্দে মেঘনাদবধ কাব্য। এ কাব্যের ছন্দকে আধুনিক ছন্দ বলা হলেও এর ভাব ও ভাষার মধ্যে মেলবন্ধন পরিলক্ষিত হয়। এখানে ভাষা ভাবের অনুগামী হয়েছে। অক্ষর সমাবেশে ভাষা সৃষ্টি হলেও এ ছন্দে বিষয়বস্তু বুঝতে পাঠকের অসুবিধা হয় না। কাব্যে মুক্তছন্দ থাকতে পারলে গদ্যে থাকবে না কেন এমন যুক্তি প্রাধান্য পেলে মুক্তগদ্যকে আরো পরিশীলিত হওয়া দরকার পড়ে। তা ছাড়া গদ্য নিজেই মুক্ত। তাকে আলাদা করে মুক্ত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। রাখঢাক করা গদ্যের স্বভাববহির্ভূত কাজ। এ কাজ পদ্যে মানায় ভালো। রাখঢাকহীন গদ্যকে আরো মুক্ত হতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। কিন্তু মুক্তগদ্য নামে গদ্যকে আড়ষ্ট করার যে প্রবণতা সেটা পাঠক সমাজ কিভাবে গ্রহণ করতে পারে সেটিও ভাবনার বিষয়। কেননা কোনো সৃষ্টি যদি মর্যাদা কুড়াতে ব্যর্থ হয় তবে তার টিকে থাকাটাও ক্ষণস্থায়ী হতে পারে। মুক্তগদ্যকে যদি মুক্তছন্দের পদ্যের ঢঙে গড়ে উঠতে হয় তবে তাকে কাব্য হিসেবে আখ্যায়িত করলে দোষের কী? মুক্তগদ্যে ভাষা ভাবের অনুগামী না হয়ে ভাব ভাষার অনুগামী হওয়ার প্রমাণ মেলে। শব্দের পর শব্দ সাজানো যেন মুক্তগদ্যের খেলা। এলোমেলো ভাব। জোড়াতালি দেয়া তার গতি। বিচ্ছিন্ন ভাবাবেগে ছুটে চলা মুক্তগদ্যের ভাব ও ভাষা একসাথে বুঝতে কালক্ষেপণ করতে হয় পাঠককে। এটি গদ্যের ভেতর কাব্যের বৈশিষ্ট্যকে মনে করিয়ে দেয়। অথচ গদ্য স্থবিরতাকে পরিহার করে ভাবাবেগের স্পষ্টতা প্রত্যাশা করে। সে প্রত্যাশা পূরণ না হলে গদ্যের স্বভাববিরুদ্ধ মুক্তগদ্যকে পাঠকনন্দিত হতে হলে গদ্যের কাছেই ফিরতে হতে পারে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.