ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

ইতিহাস-ঐতিহ্য

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সৃজনশীলতার ঐক্য প্রতিষ্ঠার

এমাজউদ্দীন আহমদ

২৫ মার্চ ২০১৮,রবিবার, ১৫:৪০


প্রিন্ট
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সৃজনশীলতার ঐক্য প্রতিষ্ঠার

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সৃজনশীলতার ঐক্য প্রতিষ্ঠার

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৬ মার্চ উজ্জ্বলতম দিনটি। দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে একাত্তরের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই, থাকার কথাও নয়। তথাপি কোনো কোনো মহল স্বার্থবুদ্ধির প্রভাবে, শুধুমাত্র সঙ্কীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সর্বজনগ্রাহ্য ও প্রত্যয়কে বিকৃত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। গণ-অধিকারের ভিত্তিতে উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, বঞ্চিত জনগণের উন্নত জীবনের অঙ্গীকার, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার সমান অধিকারের নিশ্চয়তা এবং গণ-অধিকারের ভিত্তিতে সীমিত সরকার গঠন- এসবই হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। অন্য কথায়, দীর্ঘ ২৩ বছরের পাকিস্তান আমলে জনজীবন নিষ্পেষণে প্রতিনিয়ত পীড়িত হয়েছে তা থেকে মুক্তি। অর্থাৎ সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে স্বাতন্ত্র্য। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্বের অধিকার সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সব বৈষম্য থেকে মুক্তি হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তা ছাড়া, যুদ্ধকালের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত অনুভূতি এ চেতনার অংশ। ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগতভাবে মাথা উঁচু করে অবস্থান গ্রহণ, কারো কাছে নতমস্তক না হওয়া, কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে, বিশেষ করে জাতীয় স্বার্থে, কারো ওপর নির্ভরশীল না হওয়া তার অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সম্পদের পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং তার মাধ্যমে জনগণের দারিদ্র্য, ব্যাধি ও অপুষ্টি থেকে মুক্তি, সমাজ জীবনে সব বৈষম্য ও বঞ্চনা থেকে অব্যাহতি, বিশেষ করে জাতীয় অর্থনীতিকে জাতীয় কল্যাণে নিয়োগের লক্ষ্যে সব ধরনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রেখে প্রতিযোগিতামূলক এক ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করাও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অন্যতম উপাদান।
বাংলাদেশের যে নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে, নিজেদের ভাষা ও সাহিত্যে যে স্বতন্ত্র জীবন বোধের উন্মেষ ঘটেছে, পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের সচেতন জনগণ যা হাজারো প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও সংরক্ষণ করেছে এবং ভারতের বৈদিক ও যৌগিক সাংস্কৃতিক গ্রাস থেকে মুক্ত থেকে সযত্নে যুগ যুগ ধরে লালন করেছে সেই সংস্কৃতির বিকাশ সাধন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এক অংশ।

হাজারের হাটে হারিয়ে না গিয়ে, অনুকরণের হীনম্মন্যতা জয় করে, আমাদের যা আছে তার সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে তাকে পূর্ণরূপে বিকশিত করার সঙ্কল্প এর অন্তর্গত। এই দিক থেকে বলা যায়, বাংলাদেশের জনগণের সংস্কৃতি এক দিকে পাকিস্তানিদের সংস্কৃতি থেকে যেমন ভিন্ন তেমনি ভিন্ন ভারতের ঔপনিষদভিত্তিক সংস্কৃতি থেকে, এমনকি বাংলাভাষী পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি থেকেও। পশ্চিমবঙ্গের ভাষা বাংলা। সাহিত্য কর্মও বাংলায় রচিত। তারপরেও উভয়ের সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিদ্যমান রয়েছে বিশাল পার্থক্য এবং তা পরিস্ফুট জনগণের পোশাক-পরিচ্ছদে, আচার-আচরণে, ধর্মাচরণে, আধ্যাত্মিক চিন্তায়, আহারে-বিহারে এমনকি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার বিভিন্ন মাত্রায়। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের পরে একই ভাষায় কথা বলে, একই ভাষায় সাহিত্য রচনা করেও, এমনকি উন্নত সাহিত্যসম্ভার সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ভারতীয় সংস্কৃতির মূল স্রোতে আত্মনিবেদন করে পরম পরিতৃপ্তি লাভ করে। কিন্তু বাংলাদেশীরা পাকিস্তানি সংস্কৃতির মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আত্মপ্রতিষ্ঠার পথ বেছে নিয়েছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের বৈশিষ্ট্য এখানটায়।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্ব এবং সাংবিধানিক অধিকার সংরক্ষণের ঐকান্তিকতা হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। গণতন্ত্রে এই দুই ধারার সম্মিলন ঘটেছে। এক দিকে যেমন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য অন্য দিকে তেমনি নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীলতা একান্ত প্রয়োজন। সরকার গঠনে গ্রিক ঐতিহ্যভিত্তিক জনগণের সংশ্লিষ্টতা যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন রোমান ঐতিহ্যের সাংবিধানিক দায়িত্বশীলতা এবং আইনের শাসনের প্রাধান্য। গণতন্ত্রের দার্শনিক ভিত্তি হলো জনগণের অলঙ্ঘনীয় অধিকারের স্বীকৃতি। প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে কিছু সংখ্যক ‘অলঙ্ঘনীয় অধিকার’ (inviolable rights)। এসব অধিকার সংরক্ষণের জন্যই সরকারের সৃষ্টি হয় যদি সরকার গণ-অধিকার সংরক্ষণে ব্যর্থ হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম না হয় তাহলে সরকারের আইনগত এবং নৈতিক ভিত্তি শিথিল হয়ে পড়ে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পূর্ণ বিকাশ ও তার মাধ্যমে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটি উপাদান।

এর দীর্ঘ প্রেক্ষাপটও রয়েছে। এ দেশের দীর্ঘ ইতিহাসের প্রতি বাঁকে দেশের জনগণ হয়েছে লুণ্ঠিত, প্রতারিত। ব্রিটিশ ভারতে ঔপনিবেশিক শাসকদের বৈষম্যমূলক নীতির শিকার হয়ে এ দেশের জনগণ একদিকে যেমন হয়েছে ব্রিটিশ শাসকদের হাতে নিগৃহীত অন্যদিকে তেমনি ঔপনিবেশিক শাসকদের সৃষ্ট জমিদার এবং মহাজনী ব্যবসায়ে লিপ্ত শোষকদের দ্বারা হয়েছে শোষিত ও নিপীড়িত। তারই ক্রিয়া-প্রক্রিয়ায় ২০ শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে পূর্ব বাংলার সংগ্রামী জনগণের সংগ্রামী চেতনাই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এ সংগ্রামে পূর্ব বাংলার নিগৃহীত কৃষক-শ্রমিক ও পেশাজীবীরা সম্মিলিত হয়েছিলেন মুসলিম লীগের পতাকা তলে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য, পূর্ব বাংলায় কোনো ‘ধর্মরাজ্য’ প্রতিষ্ঠার জন্য নয়। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলে সে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব না হওয়ায় এবং পাকিস্তানের স্বৈরতান্ত্রিক একদেশদর্শিতায় শ্রান্ত হয়ে ছয় দফা আন্দোলনের প্রতি আকৃষ্ট হয় ভীষণভাবে। তারপরের কাহিনী সবার জানা। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি বাঁকে ও পর্যায়ে তাই দেখা যায় জনতার ইস্পাতকঠিন ঐক্য। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান- সবাই এ মুক্তিযুদ্ধের অজেয় সৈনিক। মত ও পথের পার্থক্য ভুলে গিয়ে, জাতিসত্তার শক্ত বন্ধনে আবদ্ধ থেকে এবং শত্রু জয়ের দুর্বার আকর্ষণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে এ জনপদের জনগণ। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে মিলিত হয়ে ১৯৭০ সালের অবাধ নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা যে স্বাধীনতার সনদ ঘোষণা করেন তাতেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সুস্পষ্ট প্রকাশ ঘটেছে। জনপ্রতিনিধিরা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ‘বাংলাদেশের জনগণের সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়পরায়ণতার নিশ্চয়তা বিধানের’ জন্য বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্ররূপে ঘোষণা করা হয় ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সনদে। স্বতঃস্ফূর্ত এ ঘোষণায় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় অর্থাৎ জনগণের সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা- তার মধ্যেই নিহত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

ব্রিটিশ ইতিহাসের এক সুনির্দিষ্ট মাইলফলক গৌরবময় বিপ্লবের (১৬৮৮) যে বাণী অর্থাৎ সাম্য, স্বাধীনতা এবং অধিকার, ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান-সাম্য, স্বাধীনতা ও সৌভ্রাতৃত্ব, আমেকিরার স্বাধীনতা ঘোষণার যে মহামন্ত্র-সাম্য, স্বাধীনতা ও সুখের অন্বেষণ, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেরও মূল বাণী ঘোষিত হয়েছে স্বাধীনতা সনদে এবং তা হলো ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা’ [Equality, Human Dignity and Social Justice]। সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার সহজ সরল রাজপথ হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। মানবিক মর্যাদা সুনিশ্চিত হয় সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যে, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সর্বপ্রকার আধিপত্যের নিগড় থেকে মুক্ত পরিবেশে। সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত হয় দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত পরিবেশেষ, রোগ-ব্যাধি ও অপুষ্টির হাত থেকে মুক্তিতে, রোগ থেকে মুক্তিতে, কর্মসংস্থানের ব্যাপকতায় এবং সকল কর্মকে সম্মানজনক হিসেবে চিহ্নিত করে সুস্থ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় যথেষ্ট পরিমাণ উপার্জনে।

বাংলাদেশের যে নিজস্ব সংস্কৃতি রয়েছে, নিজেদের ভাষা ও সাহিত্যে যে জীবনবোধের উন্মেষ ঘটেছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে জনগণ তা সংরক্ষণ করে। পাকিস্তান আমলেও জনগণ তা হাজারো প্রতিবন্ধকতার মধ্যে আঁকড়ে রয়েছে। হাজারের হাটে হারিয়ে না গিয়ে, অনুকরণের হীনম্মন্যতা জয় করে, আমাদের যা আছে তার সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে তাকে পূর্ণরূপে বিকশিত করা দৃঢ়সঙ্কল্প ও জনগণের নিজস্ব সম্পদ, এক গৌরবময় ঐতিহ্য। এদিক থেকে বলা যায়, বাংলাদেশের সংস্কৃতি একদিকে পাকিস্তানিদের সংস্কৃতি থেকে যেমন ভিন্ন তেমনি ভিন্ন ভারতের উপনিষদভিত্তিক যৌগিক সংস্কৃতি থেকেও। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এ অবয়ব চিহ্নিতকরণে অনেকেই ভুল করে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষিত হতে পারে শুধুমাত্র একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মাধ্যমে, যে রাষ্ট্রে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে, যে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিকর্তৃক এবং যে রাষ্ট্র জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা ধারণ করে। মুক্তিযুদ্ধের এ চেতনা কোনো ব্যক্তিকর্তৃক সৃষ্টি হয়নি। সৃষ্টি হয়নি কোনো দলকর্তৃক। এ চেতনা ধারণেও নেই কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর একচেটিয়া অধিকার। মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনগণের। মুক্তিযুদ্ধ ছিল সর্বজনীন। মুক্তিযুদ্ধ ছিল এ দেশের মুক্তিপাগল জনতার, যারা মৃত্যুভয়কে জয় করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সুর সর্বজনীনতার সুর। এ সুর জাতীয় চেতনার সুর। ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামী জনগণের মুক্তিকামী চেতনাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রথম প্রকাশ ঘটে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতা সনদে। এ প্রকাশ ঘটেছে তার পরে বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় এবং দেশের সকল ধর্ম ও বর্ণের জনগণের স্বাধীন বাংলাদেশের চিৎশক্তির একাত্মতায়।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে কোনো কোনো মহল নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে জানা যায়। দেখা যায়, ক্ষমতাসীনরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আওয়ামী আবরণ ও আভরণে সজ্জিত করতে দৃঢ়সঙ্কল্প। রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে, এমনকি সরকার ও দলের মধ্যে যে পার্থক্য তা সযতেœ মুছে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দলীয় চেতনায় পরিণত করতে কৃতসঙ্কল্প। এ প্রচেষ্টা শুভ নয়, নয় সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তা হলে সমাজে সৃষ্টি হবে বিভাজন। বিনষ্ট হবে জাতীয় ঐক্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রকৃত প্রস্তাবে ঐক্যের চেতনা, বিভক্তির নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাতি গঠনের, জাতীয় শক্তি ক্ষয়ের নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সৃজনশীলতার, ঐক্য প্রতিষ্ঠার।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫