ঢাকা, সোমবার,২৩ এপ্রিল ২০১৮

আলোচনা

সাহিত্য এবং সামাজিক দায়

মতিন বৈরাগী

২২ মার্চ ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ১৬:০২


প্রিন্ট
সাহিত্য এবং সামাজিক দায়

সাহিত্য এবং সামাজিক দায়

মানুষ কেমন করে মানুষ এ প্রসঙ্গটি অমীমাংসিত নয়, কারণ মানুষ ভাবতে পারে, মানুষের ভাষা আছে। দেকার্ত বলেছিলেন, আমি যে বেঁচে আছি তা অনুভব করতে পারি কারণ আমি চিন্তা করতে পারি। মানুষ কেবল মানুষ নামক প্রাণীই নয় তার মধ্যে ভাষা আছে, ভাষার প্রকাশ আছে, পরিপার্শ্ব বদলাবার উদ্যম আছে। কেউ কেউ মনে করেন সমাজবদ্ধ হবার পর মানুষ সমাজবদ্ধ জীবনের প্রত্ন নিয়েই জন্মগ্রহণ করে। ফলে জন্মের পরের স্তরগুলো সে অনায়াশে স্ব-সামাজের সামাজিক জীব হিসেবেই অতিক্রম করতে পারে। ধারণা করি, জন্মউৎস হতে মানুষ কতগুলো সামাজিক ক্রিয়ার প্রত্ন নিজ শরীরে ধারণ করে এবং বেঁচে থাকবার সংগ্রামে সেগুলোই শারীরিক ক্রিয়ায় সক্রিয় হয়। হতে পারে এ কারণেই মানুষ সামাজিক জীব এবং পরবর্তী জীবনপ্রবাহে সে সমাজ দ্বারাই পরিপুষ্ট হয়। তার যা কিছু জ্ঞান তা কেবল পাঠশালা নয়, সমাজ থেকেই সে অনুমান, অনুসন্ধান, অনুধাবনে সক্ষম হয়। পাঠশালা কেবল জ্ঞানগুলোর শ্রেণিকরণ করা এবং বিন্যস্ত করে কিভাবে কাজে যুতসই লাগানো যায় তার সূত্রগুলো শেখায়। আর সেই জ্ঞানগুলোও সামাজিক, সমাজের মধ্যেই তার উদ্ভব ও বিকাশ। এভাবে মানুষ ন্যায়-অন্যায়, নীতি-দুর্নীতি ইত্যাদি প্রসঙ্গে জ্ঞান লাভ করে। আর যখনই সে কোনো জ্ঞান তার অভিজ্ঞতার মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারে তখনই সে তা অন্যের কাছে প্রকাশ করে, প্রয়োগ করে, এভাবে তার অর্জিত অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে সামাজিক, যদিও তা ব্যক্তিক। ব্যক্তি এক দিকে যেমন বৃহৎ সমাজে অস্তিত্বশীল তেমনি ব্যক্তির অভিজ্ঞতা-প্রকাশ সবই সমাজে ঘটে তাই সে সামাজিক। পরিস্থিতির আলোকে মেনে নিতেই হবে মানুষের নিজের কোনো অর্জন নেই, অর্জন সমাজের এবং কোনো আবিষ্কার উদ্ভাবন প্রকাশ সবই সামাজিক চাহিদা থেকে ঘটে। যে জিনিসের সামাজিক চাহিদা নেই সে জিনিসের অনুসন্ধান উৎপাদনে কেউ তেমন গা না করলেও কতগুলো বিষয় মানুষ গ্রহণ করে প্রত্যক্ষ প্রয়োজনে কতগুলো অনুসন্ধান করে ভাবের আধিক্যে। তাই দার্শনিকেরা কেউ বলেছেন চিন্তাবস্তুলগ্ন কেউ আবার তাকে ভাব থেকে উৎপন্ন বলে সূত্র হাজির করতে চেয়েছেন। এই সরল কথাগুলো এখন আর সরল হয়ে নেই, কারণ মানুষ তার সমাজে সমাজ চাহিদা মিটাতে গিয়ে এমন এক জটিল অর্থনীতির জালে আটকা পড়েছে, যেখানে অনুসন্ধান এবং অনুসন্ধানের ক্রিয়ায় বস্তুজগৎ ও ভাবজগৎ নানাভাবে সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধগুলোতে আঘাত হানছে। ফলে সমাজের নিয়ন্ত্রক শক্তি রাজনীতি ক্রমাগত জটিল আবর্তে পতিত হচ্ছে এবং সামাজিক অর্জিত অভিজ্ঞতায় নিষ্ক্রিয়তার ভাসান হয়ে উঠছে। এর ফলে চলমান চিন্তাগুলো ভাগ হয়ে যাচ্ছে, প্রকাশে অস্থিরতা এসেছে, লক্ষ্য বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে এবং সার্বিকভাবে শ্রেণী সংঘর্ষ তীব্র হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এর আঘাত সর্বত্রই লাগছে, রাষ্ট্র, ধর্ম, দর্শন, আইন, নীতি, নির্মাণ, শ্রবণ ও শ্রুতিতে ভাঙন ধরিয়ে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নিয়ন্ত্রক শ্রেণীর স্বার্থে এবং সবগুলো অনুষদ বিকৃতি প্রবণ হয়ে উঠেছে।
যদিও শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সমাজ-রাজনীতি লগ্ন হয়েই বেড়ে ওঠে, কিন্তু কখনো কখনো ব্যক্তিবোধ, অনুভব, চেতনাজাত উপাত্ত হয়ে উন্মুক্ত করে নতুন চেতনার জগত যা ঋদ্ধি দেয় বিপথগামী সামাজিক চেতনাকে। আলোড়িত করে, নতুন ভাবনার জন্ম দেয় এবং মানুষকে নতুন ভাবনায় যুক্ত হতে প্রেরণা জোগায়। সে কারণে আমরা দেখি গ্রিক সমাজ পিছিয়ে থাকলেও তার শিল্প-সাহিত্য অকল্পনীয়ভাবে সেই সমাজের সেই সময়ের গর্দভজাত চিন্তা থেকে অনেকখানি অগ্রসরমানতায় এগিয়ে এনেছিল। অয়নীয়রাই ছিল এ ক্ষেত্রে অগ্রপথিক। আমরা দেখি তলেস্তয় কৃষকের দুর্বিষহ জীবনকে সাহিত্যে যথাযথভাবে চিত্রায়িত করার ফলে রুশ সমাজজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল, যদিও তিনি বলশেভিক ছিলেন না। কিন্তু সে খুব বেশি দূর সক্রিয় হয়ে শিল্প-সাহিত্যে-সংস্কৃতিতে প্রভাব অটুট রাখতে পারে না, কারণ সমাজের স্তরগুলোয় এর উপলব্ধি-ভাষা-বোধশক্তি গ্রহণ করবার মতো চেতনার উপস্থিতি থাকে না। এর কারণ সমাজের উৎপাদন শক্তির শোষণনির্ভর ক্রিয়া, যা নিয়ন্ত্রণ করে রাজনীতি। এর মধ্যেই ধর্ম-দর্শন-আইন, সাহিত্য, শিল্প-সংস্কৃতি আবর্তিত হয়। রাজনীতি যদি হয় স্বৈরতান্ত্রিক জনগণস্বার্থ অলগ্ন এবং ইচ্ছেবৃত্তির, সেখানে ন্যায় নিয়ম নীতিহীনতা ওপর থেকে নিচে গড়িয়ে সব কিছুকে কলুষিত করে। আর তার প্রভাবে গোটা সমাজের পারস্পরিক স্বার্থ ছিঁড়ে গিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ প্রবল হয়ে ওঠে। ঝড়ের প্রবল দাপটে যেমন ঘরবাড়ি গাছগাছিলি উপড়ে পড়ে ওলটপালট হয় তেমনি জনজীবনের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাসগুলো, মূল্যবোধগুলো, ন্যায়গুলো, নিয়মগুলো টুকরো টুকরো হয়ে নানা চাপে তাপে লোভে বাষ্প হয়ে যায়। ফলে এক দিকে ভোগ চূড়ান্তরূপ পায় আর অন্য দিকে মানুষ নিঃস্ব হয়ে ঠিকানা খোঁজে। অন্ধবিশ^াস, কুসংস্কার, নিয়তিনির্ভরতা বাড়ে এবং পুরোহিতদের স্বার্থান্ধতাও মানুষকে একধরনের মোহবেষ্টিত করে মূল ধর্মবিশ্বাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে, সে বিচ্ছিন্ন হয় তার নিয়মাচার থেকে, আর তা তাকে সুন্দর থেকে সরিয়ে নানা সংস্কারপ্রিয় রোবটে পরিণত করে। ফলে একদল লোক অন্যকে উসকায় এবং ভ্রান্তিকে স্রষ্টার নির্দেশ বলে চাপিয়ে পুণ্য হাসিল করতে চায়। সে পুণ্য মূলত অদৃশ্য স্বার্থের, সে ধর্মকে পণ্য করে। আর এগুলোও সংস্কৃতির পরিপুষ্টতাকে জীর্ণ করে। অথচ সংস্কৃতির মধ্যেই পরকালের বোধ ন্যায় হয়ে মিশে আছে। আর এসব ঘটে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক পরিকল্পনায়। কারণ বিভ্রান্ত করো, শাসন করো, শোষণ করো, বিচ্ছিন্ন করো, সঙ্ঘশক্তির বিলোপ ঘটাও, যাতে তারা সঙ্ঘবদ্ধ হতে না পারে, ফিরেও তাকাতে না পারে। তাদেরকে স্বাধীনতার কথা বলো এবং স্বাধীনতা আকাক্সক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন করো। তৈরি করো এমন এক স্বাধীনতা যাতে সে আছে, সে ভাবে সে আছে, অথচ জানে না স্বাধীনতা আসলে কী? স্তব-স্তুতিকারী, বেছে নাও কতিপয়, সুবিধা দাও, মেডেল দাও এবং তাদেরকে দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করো আগামী প্রজন্ম।
সামাজিক এই অবস্থায় সব চেয়ে যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তারা হলো তরুণসমাজ। তার সামনে যৌবন আছে কিন্তু তার ধারা যথপোযুক্ততায় যুক্ত হয়ে প্রবাহিত হতে পারে না। সে শোনে যৌবন হচ্ছে শ্রেষ্ঠ সময়, এবং সে তা বিশ্বাসও করে, তবে সুন্দরে সুন্দর নির্মাণের দিকে নয়, সে বিশ্বাস করে তার প্রভু, প্রভুর চেহারা সুন্দর, প্রভুর বলা সুন্দর, প্রভুর গাড়ির পেছনে চলা সুন্দর, প্রভুর জনসভায় তার পেছনে দাঁড়িয়ে মাথা নাড়ানো সুন্দর, প্রভু যেমন বলে তা সে রপ্ত করে তার ঘরের ভাষাকে ভুলে যায়, মায়ের সুন্দরকে সে ভুলে যায় এবং সে তার পেছনে জিন্দাবাদ দেয়, কারণ সে নগদ কিছু পায়, অন্যায় তখন আর অন্যায় বলে মনে হয় না, কারণ প্রভু আছে। সে অস্ত্র পায়, প্রশ্রয় পায়, তাই সে মানুষ কোপায়, হত্যা করে, গুম করে, ধর্ষণ করে, দখলবাজি, লুটপাট, ফেরেপবাজি, ঘুষবাজি, যত বাজি আছে সব বাজিতে সে বাজিমাৎ করে। এটা ঘটে সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণে। আবার সময়ের লাগ পেলে চাকরিও পায়, ক্ষমতার চাকরি, তখন তার হাতে পুতিনের মিসাইল ওড়ে। রাষ্ট্র দখল যখন একটা ক্রিয়া তখন পোশাক, পোশাকহীন সবাইকে ব্যবহার করে ন্যায়ের নামে এবং অব্যাহত রাখে গণতন্ত্রের নামে। এই চেতনা সারা বিশ্বে আজ ছড়িয়ে পড়েছে পুঁজিবাদের কল্পনাহীন দৌরাত্ম্যের কারণে। ফলে তরুণদের সামনে এটাই আদর্শ বলে স্থিরতা পেয়েছে এবং তাদের শিক্ষকেরাও যাবতীয় অন্যায়ের মধ্যে ডুবে শিক্ষাকে অশিক্ষার শিক্ষা হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বিকশিত ধনতান্ত্রিক সমাজও এর বাইরে নয়। তবে পার্থক্য এইটুকু ওখানে লেখাপড়াটা হয় শিক্ষকেরা পুঁজিবাদের দর্শনে তাদের মগজটা ঠিকঠাক ধোলাই করে এবং একধরনের স্বাধীন চিন্তার নামে পুঁজিবাদী চিন্তাটাই তরুণদের মনে প্রোথিত করে। শিখায় তারা উন্নত জাতি, আর সব অসভ্য বা অর্ধসভ্য মানুষ, তাদের ওপর দখলরাখা, জ্ঞানে বুদ্ধিতে, নির্মাণে তাদেরই অধিকার। এখানে হয় তার উল্টোটা, পড়াশোনার দরকারটা কী, চালিয়ে যাও নীতিতে। লোটোপোটো খাও।
পরিস্থিতি যখন এ রকম তখন বিভ্রান্তি জীবনের সব ক্ষেত্রে যে ছড়িয়ে পড়বে তাতে সংশয়ের কিছু নেই। আগামীতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে বাধা হয়ে থাকার মতো কোনো মূল্যবোধ কোনো নিয়ম অটুট আছে বলে প্রতীয়মান হয় না। সঙ্গত কারণে এর প্রভাব যেমন জীবনের সব ক্ষেত্রে পড়ছে, শিল্প-সাহিত্যের মতো নান্দনিকতাও আক্রান্ত হয়েছে। তাই ভালো সাহিত্য ভালো শিল্পকর্ম ভালো চলচ্চিত্র, নাটক নৃত্য কাব্য চর্চাও টিকে থাকবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই, কারণ এগুলো ওইসব লোকজন দ্বারাই চূড়ান্তভাবে আক্রান্ত। থাকবে ‘শুধু অন্ধকার মুখোমুখি বসিবার’ এই সত্য প্রবল হয়েছে। আগে প্রায় সবাই কবিদের লেখকদের ভক্তিশ্রদ্ধা করত, গুরুত্বও দিত এবং মনে করত এরা ধনকাতর নয়, এরা সাধারণ, কিন্তু এখন উদাহরণ দেয়ার মতোও লেখক কবি আছে, তাদের ধনও জুটেছে। তারা সংস্কৃতিজগতের মালিকও। এই মালিকেরা চলমান তরুণ সংস্কৃতি কর্মীদের আদর্শস্থানীয়, প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করছে। চর্চা নয় গড়ে তুলছে সংগঠন, সম্মেলন করছে, তরুণদের পকেট কাটছে, নানা লোভে বিভ্রান্ত করে সৃজনশীলতাকে পঙ্গু করছে। এপার ওপার করে এই পুরস্কার সেই পুরস্কার দিয়ে নিয়ে সাহিত্যকে বোকার হাতের মোয়া বানিয়ে দিচ্ছে। মূলত তারা তরুণদের মননশীল চর্চায় উদ্বুদ্ধ না করে সাহিত্য নয়- আবর্জনাকেই প্রকাশ করছে এবং তরুণ লেখক কবি সৃজনশীল সম্ভাবনাকে নাশ করছে। ব্যবহার করছে মঞ্চে সভাপতি, প্রধান অতিথি, প্রধান বক্তা ইত্যাদির চেয়ার পেতে এবং নিজ মহিমা জারি রাখতে। মুক্তমন মুক্তজীবন এখন কেবল কথার কথা। এখন তরুণেরা তাদেরই তল্পিবাহক, যারা আদর্শ হারিয়েছে, প্রাপ্তির লোভে স্তব-স্তুতিতে সৃষ্টিকে ডুবিয়েছে চেতনাকে বিপরীতমুখী করছে তারা যদি প্রজন্মের অনুসরণীয় হয় তো ভালো সাহিত্য তৈরি হবে কিভাবে। তাই এত বড় পটভূমির মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতাযুদ্ধ কেবল কতগুলো খণ্ডিত রূপ নিয়ে উপস্থিত আছে, এর বিশালত্ব এতটা সঙ্কুচিত যে ওগুলো সময়ের চাবুকে টিকবে কি না সে রায় ইতিহাসের। কারণ একপেশে দৃষ্টিভঙ্গির সাহিত্য কোনো মহৎ সৃষ্টিকে ধারণ করে না। আর ইতিহাসও একটা স্থবির পিণ্ড নয় সে আপন গতিধারায় আবর্জনাকে সরিয়ে ফেলে। তবু তারা আদর্শ হয়ে আছে, অনুকরণীয় হয়ে আছে। এদের কারো কারো একটা অতীত ছিল, আজ আর তার অবশিষ্টটুকু নেই, অথচ সেই অতীতটাই তাদের তোষামোদের দরজায় প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে।
এখন আদর্শই যদি না থাকে, কী লিখছি কেন লিখছি, আমার লেখা দ্বারা আমার মতপ্রকাশের দ্বারা রাষ্ট্রশক্তিকে কতটা সচেতন করতে পারছি, কতটা অধিকারের প্রশ্ন কতটা কর্তব্যের সামাজিক দাবি সেই ভাবনালোকে কতটা সহায়তা দিচ্ছি, বা কিভাবে দিতে পারব, কোন পদ্ধতিতে লেখাগুলো মানুষের হৃদয়কে জাগরিত করবে, ভাবতে বুঝতে সহায়তা দেবে, জানতে অনুসন্ধানে যুক্ত হতে প্রেরণা হবে এবং সত্য ও মিথ্যের প্রভেদরেখাকে ছুঁতে পারবে এই অনুসন্ধান সব নির্মাণে প্রতিফলিত না হলে বিভ্রন্তির প্রকাশই ছড়িয়েই পড়বে কাব্যে শিল্পে আনন্দে। ক্ষীণ হয়ে আসবে সম্ভাবনা।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫