শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ডিপিএল লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে আবাহনী লিমিটেড। নবাগত শাইনপুকুরকে হারিয়েছে ৫৬ রানে। এই জয়ের ফলে ১১ ম্যাচের ৮টিতে জিতে ৩টিতে হেরে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করল আবাহনী। আগামীকাল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ যদি বিশাল ব্যবধানে জয় পায় তাহলে হয়তো আবাহনীকে ছুঁতে পারবে পয়েন্টের দিক দিয়ে। সমান ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শাইনপুকুর রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। তাদের সুপার সিক্সে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আগামীকাল শেষ ম্যাচে শেখ জামাল যদি হেরে যায় তাহলে শাইনপুকুরও উঠবে সুপার সিক্সে।
প্রথমে ব্যাট করে নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত ১৫০ ও সাইফ হাসানের ৯৪ রানে ভর করে ৪ উইকেটে ৩৩৫ রান করে আবাহনী। জবাবে ফারদিন হাসান অনির সেঞ্চুরি, সাদমান ইসলামের ৫৬ ও তৌহিদ হৃদয়ের ৮৩ রানে ভর করে দুর্দান্ত সূচনার পরও জয় পায়নি শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। ৫০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রানের বেশি করতে পারেনি তারা।
ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩০ রানেই সাইফুদ্দিনের বলে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এনামুল হক বিজয় (১৮)। দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাইফ হাসান ১৮৫ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ২১৫ রানের মাথায় সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৬ রান দূরে থেকে নাঈম ইসলামের বলে আউট হন সাইফ হাসান। ১১৪ বলে ৭টি চার ও ৪ ছক্কায় ৯৪ রান করেন তিনি। তবে এ সময় সেঞ্চুরি পূরণ করেন শান্ত। তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাসিরকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহে আরো ৬০ রান যোগ করেন। দলীয় ২৭৫ রানে নাসিরকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন নাঈম। এরপর আরো দুইজনকে সাথে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ৫০ ওভারে ৩৩৫ রান পর্যন্ত নিয়ে যান শান্ত। তিনি ১২০ বলে ৯টি করে চার ও ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ১৫০ রানে। লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে এটা তার চতুর্থ সেঞ্চুরি এবং ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।
৩৩৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় শাইনপুকুর। ফারদিন হাসান অনি ও সাদমান ইসলাম উদ্বোধনী জুটিতে ১২৫ রান করেন। এরপর ব্যক্তিগত ৫৬ রানে নাসির হোসেনের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাদমান। দ্বিতীয় উইকেটে অনি ও তৌহিদ দলকে নিয়ে যান ২৬৯ পর্যন্ত। ইতোমধ্যে সেঞ্চুরি করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরেন ফারদিন হাসান। ১১৮ বলে ৯টি চার ও ২ ছক্কায় ১০৪ রান করেন তিনি। এরপর তৌহিদ হৃদয়ও আউট হন মাশরাফির বলে। হৃদয় ৭২ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৩ রান করেন। এই দুইজন ফেরার পর খুব বেশি রান যোগ করতে পারেননি শাইনপুকুরের ব্যাটসম্যানরা। ২৭৭ রানের মাথায় আফিফ হোসেন আউট হওয়ার পর ৫০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রানে থামে শাইনপুকুরের ইনিংস। মাশরাফি দুটি ও নাসির হোসেন একটি উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন নাজমুল হোসেন শান্ত।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.