ওকালতনামা স্বাক্ষরের অনুমতি পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা
ওকালতনামা স্বাক্ষরের অনুমতি পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা

ওকালতনামা স্বাক্ষরের অনুমতি পাননি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নড়াইলের একটি, কুমিল্লার একটি ও সিএমএম কোর্টের দুই মামলার ওকালতনামায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সই নিতে গতকাল বিকেলে কারা ফটকে যান দলের আইনজীবীরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অনুমতি না পেয়ে ফিরে যান তারা।

এ সময় অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দী রাখতেই ওকালতনামায় সই না দিতে কারা কর্তৃপক্ষ কৌশল নিয়েছে। অনেকবার চেষ্টা করেও ওকালতনামায় খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি। ওকালতনামায় স্বাক্ষর নিয়ে খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য আবেদন করা হবে।


তিনি জানান, এর আগে কারাগারে ১৯টি ওকালতনামা দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে নড়াইল ও সিএমএম কোর্টের মামলার ওকালতনামাও ছিল। কারা কর্তৃপক্ষ শুধু কুমিল্লার একটি মামলার ওকালতনামা স্বাক্ষর করিয়ে সরবরাহ করেছে।
এ সময় অ্যাডভোকেট জয়নাল আবদিন মেজবাহ, অ্যাডভোকেট তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ, অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া ও অ্যাডভোকেট কালাম খান উপস্থিত ছিলেন।

জামিন পেলেও খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আপিল বিভাগে জামিন পেলেও আজ রোববার খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না। মুক্তি পেতে হলে কুমিল্লার মামলায়ও জামিন পেতে হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর সেন্ট জোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬২তম বার্ষিক সিনটিলা সায়েন্স ফেস্টিভালের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আপিলে খালেদা জিয়ার জামিন হলেও অন্য মামলায় হাজিরা ওয়ারেন্ট থাকায় তিনি মুক্ত হতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মামলাটি বিচারাধীন। তবুও আপনাদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে বলতে চাই, উনার একটি মামলা আজ জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য আছে। তবে আমি জানি, কুমিল্লার আরেক মামলায় তাকে উপস্থিত হয়ে জামিন নিতে হবে। তবে আজ সর্বোচ্চ আদালত যদি তাকে জামিন দেন তার পরও আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি মুক্তি পাবেন না। কারণ ওই মামলায় তাকে জামিন নিতে হবে। এটাই আইনের নিয়ম।

বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ স্থগিত সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন বিএনপি নেতাদের এই বক্তব্যের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলব, উনারা এ দেশে বিশ্বাসী নয়, সে জন্যই উনারা বিচার বিভাগের মতো একটি স্তম্ভকে নিজেদের পক্ষে রায় না দিলে অনাস্থা দেখান এবং খারাপ ভাষায় কথা বলেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
তিনি বলেন, ‘ওনারা দেখেছেন, সারা বাংলাদেশের জনগণ দেখেছেন, আমরাও দেখেছি যে, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছেন। সরকার যদি সত্যি সত্যি হস্তক্ষেপ করত তাহলে এই জামিন কি হতো? আমরা বিচার বিভাগের কাজে কখনো হস্তক্ষেপ করিনি, কখনো হস্তক্ষেপ করব না।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.