আমির খানের বয়স কত? ১৮-৩৫-৫৩
আমির খানের বয়স কত? ১৮-৩৫-৫৩

আমির খানের বয়স কত? ১৮-৩৫-৫৩

নয়া দিগন্ত অনলাইন

বলিউড সুপার স্টার আমির খান মনের দিক থেকে আজও ১৮। তাই বয়স কোথাও থাবা বসাতে পারেনি তার শরীরে বা মনে। গত বুধবার ১৪ই মার্চ ৫৩-এ পা দিলেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। প্রতিবারের মতো এবারও তিনি বান্দ্রার কার্টার রোডের ফ্রিডা ওয়ান বহুতলের ফ্ল্যাটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কেক কাটলেন। পাশে ছিলেন স্ত্রী কিরণ রাও। গাঢ় নীল রঙের হাফ স্লিভ টিশার্ট গায়ে সাংবাদিকদের সামনে এলেন ৫৩ নয়, যেন ৩৫-এর যুবক আমির। এদিন হলুদ রঙের টপে কিরণও ছিলেন উজ্জ্বল। জন্মদিনের কেক কাটার পর সাংবাদিকদের নানান প্রশ্নের মুখোমুখি এই বলিউড দম্পতি।

 জন্মদিনে কিরণ আপনাকে কী উপহার দিলেন?
আমির : কিরণ আমাকে আজ দারুণ সারপ্রাইজ দিয়েছে। সকালে ও আমাকে এয়ারপোর্টে আনতে আসে। আমি ‘ঠগস অব হিন্দোস্থান’ ছবির শুটিং-এর জন্য যোধপুরে ছিলাম। প্রথমে মুম্বইতে আসার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গতকাল রাতে ঠিক করি মুম্বইতে আসব। খুব ভালো লাগছে যে প্রতিবারের মতো এবারও আম্মি, আজাদ ও কিরণের সঙ্গে জন্মদিন কাটাতে পারব। আর আপনাদের সঙ্গে প্রতি বছরের মতো এ বছরও কেক কাটতে পেরে খুব ভাল লাগছে। ভিক্টর (পরিচালক) আমাকে জন্মদিনের জন্য দু’দিনের ছুটি দিয়েছে।
কিরণ : আমি ভেবেছিলাম যোধপুরে গিয়ে আমিরকে সারপ্রাইজ দেব। কিন্তু গতকাল রাতে আমির জানায় যে ও মুম্বইতে আসছে। তখন ভাবলাম এয়ারপোর্টে ওকে আনতে যাই। এইটুকু তো করতেই পারি।

 আর আজাদ কী উপহার দিলো?
আমির : আজাদ আর কিরণ মিলে আমাকে ‘ডার্ট’ গেম দিয়েছে। আসলে আজাদ নিজেই ডার্ট খেলতে ভালোবাসে। তাই আমাকে এটা গিফট করেছে। এছাড়া একটা খুব সুন্দর হাতে তৈরি কার্ডও দিয়েছে আজাদ।

 জন্মদিনের প্রথম শুভেচ্ছা কে জানান?
আমির : জন্মদিনের প্রথম শুভেচ্ছা আমি অমিতজির (অমিতাভ বচ্চন) থেকে পাই। যোধপুরে রাতে ‘ঠগস অব হিন্দোস্থান’-এর শুটিং করছি। আমি সময়ের খেয়াল করিনি। রাত বারোটার সময় হঠাৎই মাইকে অমিতিজির শুভেচ্ছা বার্তা ভেসে আসে। সকল ক্রু মেম্বারদের সামনে উনি আমাকে প্রথম উইশ করেন।

 এই নতুন বছরে নতুন কী ঘটতে চলেছে?
আমির : এই বছরটা খুবই স্পেশাল। অমিত জি-র সঙ্গে আমার কাজ করার স্বপ্ন সফল হতে চলেছে। আমি প্রথম তার সঙ্গে ‘ঠগস অব হিন্দোস্থান’ ছবিতে কাজ করছি। আমি চাই আমার সঙ্গে তার এই ছবি এক স্মরণীয় সিনেমা হয়ে উঠুক। ‘ঠগস’-এ অনেক দিন পর আবার অমিতজিকে অ্যাকশন করতে দেখা যাবে। আর এই সিনেমাটা করতে করতে আমি তার থেকে অনেক কিছু শিখেছি। কিন্তু এখন না, পরে বলব এসব কথা।

 নিজের কী কু-অভ্যাস ছাড়তে চান?
আমির : সিগারেট। আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি সিগারেট ছাড়তে। কিন্তু পেরে উঠিনি। এবার পুরোপুরি ছাড়ার চেষ্টা করব।
 কিরণ, আপনি আমিরের কী কী বদলাতে চান? আর কী কী বদলাতে চান না?
আমির : ওহ, দারুণ ব্যাপার (সশব্দে হেসে)। আমাকেও শুনতে হবে এর উত্তর। (কৌতূহল নিয়ে কিরণের দিকে তাকিয়ে থাকেন আমির)
কিরণ : সত্যি বলতে আমিরের সে রকম কিছু বদলানোর নেই। তবে একটা বিষয় আমার আপত্তি ও আমাকে সময় দেয় না। আমি এবিষয়ে ওকে বার বার বলেছি। আমির সারাক্ষণ সিগারেট খেতে থাকে। আর ফোনে বেশি ব্যস্ত থাকে। এগুলোই বদলাতে চাই। এবার ওর গুণের প্রসঙ্গে আসি। আমিরের সহানুভূতিশীলতা এবং বুদ্ধিমত্তার জন্যই ওকে বিয়ে করি। আর আমির ভীষণই বুঝদার। সকলের প্রতি খুব কেয়ারিং। আমিরের চরিত্রের এইসব গুণগুলি আমাকে আকৃষ্ট করেছে। আর ওর তীক্ষ্ণ সৃজনশীল মস্তিষ্ক, যার থেকে জন্ম নেয় নতুন এবং ব্যতিক্রমী নানান চিন্তাভাবনা।

 কিরণের কোন কোন গুণ আপনাকে আকৃষ্ট করেছে?
আমির : বলতে পারেন, কিরণ আমার শক্তি। ও এসে আমার জীবনটা বদলে দেয়। আগে আমি একটু গম্ভীর প্রকৃতির ছিলাম। কিরণ আমার জীবনে আসার পর আমি জীবনের প্রকৃত খুশি খুঁজে পাই।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.