ঢাকা, বুধবার,২৫ এপ্রিল ২০১৮

খুলনা

তালিম থেকে পালিয়ে চুরির প্রস্তুতি, আটক ৪

শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

১৬ মার্চ ২০১৮,শুক্রবার, ১৭:২৯ | আপডেট: ১৬ মার্চ ২০১৮,শুক্রবার, ১৮:৪১


প্রিন্ট
তালিম থেকে পালিয়ে চুরির প্রস্তুতি, আটক ৪

তালিম থেকে পালিয়ে চুরির প্রস্তুতি, আটক ৪

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারে 'চুরির প্রস্তুতিকালে' স্কুলপড়ুয়া তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে এক মাদরাসা শিক্ষককেও আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে বাজার পাহারাদাররা আটক করে শুক্রবার সকালে তাদেরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ওই তিন কিশোরের সঙ্গে থাকা স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে চুরি করার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক কিশোররা হলো রায়েন্দা বাজার সংলগ্ন এলাকার মোশারেফ চৌকিদারের ছেলে রায়েন্দা-রাজৈর ফাজিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মো. তাইজুল ইসলাম (১২), মালিয়া রাজাপুর গ্রামের রুহুল আমিন হাওলাদারের ছেলে ওই মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় আমিন রাব্বি (১৩) এবং পাঁচরাস্তা এলাকার রহিম মোল্লার ছেলে রায়েন্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র মো. মুন্না (১১)। এছাড়া কিশোরদের স্বীকারোক্তিমতে ওই মাদরাসার বিএসসি শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাকে (২৮) আটক করে পুলিশ।

বাজার পাহারাদার মো. মোস্তফা খান ও আ. মালেক খান জানান, রাত আড়াইটার দিকে ওই তিন কিশোর রায়েন্দা বাজারের শের-এ বাংলা সড়কের ব্রিজের গোড়ায় জটলা পাকাচ্ছিল। এসময় তাদেরকে ধরে জিজ্ঞাবাদ করলে তারা চুরি করার জন্য এসেছে বলে জানায়। তাদের কাছে থাকা দুটি স্কুল ব্যাগে তিন থোকা বিভিন্ন তালার চাবি, একটি হাঁতুড়ি, দুটি চাকু, একটি স্ক্রু ড্রাইভার ও একটি লোহা কাটার করাত পাওয়া যায়।

রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, আটক কিশোররা লোভের বশবর্তী হয়ে এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শরণখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. কবিরুল ইসলাম জানান, রাতে বাজারে সন্দেহজনক ঘোরাফেরার কারণে পাহারাদাররা তিন কিশোরকে আটক করে থানায় দিয়েছে। শিক্ষক আরিফুল ওদের পক্ষে কথা বলায় তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

তবে, শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বলেন, ওই ছাত্ররা বৃহস্পতিবার রাতে রাজৈর মারকাজ মসজিদে সাপ্তাহিক তালিমে গিয়েছিল। আমিও সেখানে ছিলাম। কিন্তু গভীর রাতে তারা তিনজন বেডিংপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ধরা পড়ার খবর পেয়ে আমি গিয়ে তাদের পক্ষে কথা বলি। কারণ ওদের মধ্যে দুজন আমার ছাত্র। কিন্তু আমাকে থানায় আটকে রেখেছে। ওদের সাথে আমার ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই জানি না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫