প্রকৃতির ওপর হস্তক্ষেপ করে হাওরে কিছু করা ঠিক হবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, প্রকৃতির ওপর হস্তক্ষেপ করে হাওরে কিছু করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, হাওরে আকস্মিক বন্যাজনিত সমস্যা মোকাবিলার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।

বুধবার সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাওরবাসীর জীবন-জীবিকা’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রী একথা বলেন। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেইঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এর ওয়াটার রিসোর্চ ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট প্রবাল সাহা। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন ‘সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেইঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ’ নামের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘হাওরবাসীর জীবন-জীবিকা’ শীর্ষক এই গবেষণা পরিচালনা করে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, হাওরে অনেকগুলো সমস্যা এক সঙ্গে বিরাজমান। তাই আমাদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিষয়গুলো চিন্তা করতে হবে এবং সেভাবে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, হাওরের সমস্যা এত জটিল যে চাইলে আমরা সব সমস্যা এক সঙ্গে সমাধান করতে পারব না। সব নদীর ভাঙন আমরা রোধ করতে পারব না। আবার চাইলেও সব নদীর খনন আমরা করতে পারব না। কারণ, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, হাওর বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। তবে হাওরে সব ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করতে হবে পরিবেশকে মেনে চলেই।

এতে ব্র্যাকের পরিচালক কেএএম মোর্শেদের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন- পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশতিয়াক মান্নান, ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান শ্যাম সুন্দর, ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর হিউম্যানেটেরিয়ান অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ডোলন যোসেফ গোমেজ এবং পাশাপাশি হাওর থেকে আসা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ইটনার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাসুমা আক্তার।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.