চারিত্রিক মাধুর্য দিয়ে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে : শিবির সেক্রেটারি
চারিত্রিক মাধুর্য দিয়ে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে : শিবির সেক্রেটারি

চারিত্রিক মাধুর্য দিয়ে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে : শিবির সেক্রেটারি

নয়া দিগন্ত অনলাইন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেছেন, যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করে হলেও আল্লাহর এই জমিনে দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দ্বীন কায়েমের পূর্বশর্ত মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকা। চারিত্রিক মাধুর্যের মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্রের কাছে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।

আজ রাজশাহীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির রাজশাহী অঞ্চল পশ্চিমের সদস্য শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

রাজশাহী মহানগর সভাপতি মনিরুল ইসলামের পরিচালনায়- শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক খালেদ মাহমুদ, কলেজ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, চাপাইনবাবগঞ্জ শহর সভাপতি আতিক হাসান, জেলা সভাপতি সানিম সাজদান, নওগাঁ জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি সবুজ আহমেদ, নওগাঁ জেলা পশ্চিমের সভাপতি নাফিস ইকবাল, রাজশাহী মহানগরী সেক্রেটারি তারিফ ইমতিয়াজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শিবির সেক্রেটারি বলেন, যুবক ও তরুণেরাই সমাজের মূল চালিকাশক্তি। এই তরুণ সমাজের এগিয়ে চলার পথ যদি হয় কুরআন, তাহলে শুধু দেশ বা সমাজ নয় বরং সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে যুব সমাজের বিশাল অংশ মাদক সেবন, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অশ্লীলতা, নারী নির্যাতনের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধের সাথে জড়িত। যে বয়সে যুবকদের হাতে কুরআন থাকার কথা, কুরআনের আলোকে নিজ ও সমাজকে গঠনে এগিয়ে যাওয়ার কথা সেই সময়ে তাদের নৈতিক অবক্ষয়ের মাধ্যেমে দেশ ও সমাজ ক্রমেই অশান্তিপূর্ণ ও অস্থিতিশীল হয়ে যাচ্ছে। আগামী প্রজন্মকে অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা ও কাঙ্খিত নাগরিক গড়ে তুলতে হলে কুরআনের আলোকে জীবন গঠনের বিকল্প নেই। আর সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে ছাত্রশিবিরের সব নেতা-কর্মীদেরকে সকল প্রতিকূলতার মাঝেও দাওয়াতি কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর কথাই সর্বোত্তম কথা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তার কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, সৎ কাজ করে এবং বলে আমি আত্মসমর্পণকারীদের একজন’। আল্লাহর প্রিয় পাত্র হতে চাইলে, আমাদেরকেও দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে। দাওয়াতি কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ইসলাম বিদ্বেষীদের অপপ্রচারের জবাব দাওয়াতি চরিত্রের মাধ্যমে দিতে হবে। রাসুল সা: -এর শিখানো পদ্ধতিতে প্রতিটি ছাত্রের কাছে ইসলামের আহবান পৌঁছে দিতে হবে। ব্যক্তি-সমাজসহ মানুষের সার্বিক জীবনে কুরআন অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। মনে রাখতে হবে, দাওয়াতি কাজ যত তীব্র হবে বিজয় তত নিকটবর্তী হবে ইনশাআল্লাহ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.