ঢাকা, শুক্রবার,২২ মার্চ ২০১৯

আরো খবর

সরকার বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ করে না : হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ মার্চ ২০১৮,বুধবার, ০০:০০


প্রিন্ট
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুরের পর আবারো প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন। বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না। প্রভাবিতও করছে না। বিচারকার্যক্রম স্বাধীনভাবে চলছে। বর্তমান সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা আদালতে গিয়ে হাজিরাও দিয়েছেন। আমাদের দলের এমপিদের বিরুদ্ধে আদালত রায় দিয়েছে। 
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস কাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ জলিলের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
‘সরকার স্বাধীনভাবে আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করতে দিচ্ছে না’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, এই রায়ের ফলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপি নেত্রীর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে। দুর্নীতি সম্পর্কে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির ফলে এটা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলায় সরকারের কোনো হাত নেই। এটা একটি দুর্নীতি মামলা। এ মামলার রায়ের পর বিদেশী কোনো রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া নেই। দেশের মানুষের কোনো সাড়া মেলেনি। কিন্তু এ রায় নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। বিএনপি শুধু জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা নয়, তারা দুর্নীতিবাজদেরও আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা। 
বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কড়া সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির একজন নেতা আছেন রুহুল কবির রিজভী। উনি সকাল-বিকেল সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যাচার করেন। তিনি আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অরাজনৈতিক। আপনাকে ভদ্র মানুষ হিসেবে জানতাম। কিন্তু দিন দিন আপনি কেন অভদ্র হয়ে যাচ্ছেন সেটি আমার বোধগম্য নয়। এ সময় তিনি বিএনপি নেতাদের প্রতি মিথ্যাচার না করে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫