গণস্বাস্থ্য মেডিক্যালের ছাত্রী স্বর্ণা আইসিইউতে

সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা বিমানের সাভারের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের (গণবিশ্ববিদ্যালয়) এমবিবিএস ১৮তম ব্যাচের ছাত্রী সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, ক্লাস রোল-৪০ ও তার স্বামী মেহেদী হাসান নেপালের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বার্ণার মা সালমা বেগম গতকাল চিকিৎসাধীন স্বর্ণার সাথে নেপালের একটি হাসপাতালে আইসিইউতে মা-মেয়ের চোখে চোখে দেখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ডা: সৈয়দ আবুল হোসেন। তিনি জানান, তার জামাতাও ভালো আছেন। স্বর্ণার বাবার বাড়ি গাজীপুরের টঙ্গী থানার উত্তর দত্তপাড়ায়। তার বাবাও পেশায় একজন ডাক্তার। তাদের পৈতৃক বাড়ি সিলেটে হলেও বাবার চাকরির সুবাধে প্রায় ৪৫ বছর তারা এখন গাজীপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। আর স্বর্ণার স্বামী মেহেদী হাসানের বাড়ি গাজীপুরের জয়নাবাজার।
জানা যায়, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও তার স্বামী মেহেদী হাসান অসুস্থ থাকায় চেকআপ ও ভ্রমণের উদ্দেশে নেপাল থেকে ভারত হয়ে আবার ঢাকা আসার কথা ছিল। গত সোমবার ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা বিমানটি কাঠমান্ডু ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও তার স্বামী মেহেদী হাসান গুরুতর আহত হলে নেপালের একটি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর গতকাল তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তার মা সালমা বেগম নেপালে গেলে তার মেয়ে সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণার সাথে আইসিইউতে মা-মেয়ের চোখে চোখে দেখা হলেও কোনো কথা বলতে পারেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছেন এবং দেশবাসীর কাছে তারা দোয়া চান। স্বর্ণার স্বামী মেহেদী হাসান এমবিএ শেষ করে ব্যবসা করছেন। আহত স্বর্ণার বাবা ডা: সৈয়দ আবুল হোসেন নয়া দিগন্তকে জানান, দুর্ঘটনায় তার মেয়ে কোমরে ঘাড়ে আঘাত পেয়েছেন।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.