আশুলিয়ায় ছিনতাইকারীর পক্ষে মামলার প্রতিবাদে যুবলীগের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আশুলিয়া (ঢাকা) সংবাদদাতা

আশুলিয়ায় গণধোলাইয়ের শিকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি রাসেল হাওলাদারের পক্ষে থানা মামলা গ্রহণ করেছে। মামলা নং-৩০। হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, জখম ও ক্ষতি সাধনের অপরাধে আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউপির ১১ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইয়ারপুর ইউপি যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল সরকারের নেতৃত্বে মিথ্যা সাজানো মামলা প্রত্যাহার ও এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী রাসেল গংদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় আশুলিয়ার আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের বেরণ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে জামগড়া-শিমুলতলা হয়ে একই সড়কের বেরণ এনভয় গ্রুপের সামনে এসে মানববন্ধনে মিলিত হন। এ সময় সোহেল সরকারসহ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
সোহেল সরকার বলেন, বাসা থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার পথে রাসেল হাওলাদার, রোমান ও নাজমুল হোসেন ইমুর মধ্যে রাসেলকে জনতা ধরে গণধোলাই দিয়ে ছেড়ে দেয়। এতে সে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। পরে ১২ মার্চ সোমবার থানায় গিয়ে রাসেল বাদি হয়ে যুবলীগের ১১ জনকে বিবাদি করে মামলা দেয়। তিনি আরো বলেন, এলাকায় চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও ডাকাতি মামলার আসামি রাসেল প্রায় পাঁচ মাস পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আগের পেশা ছিনতাই ও ডাকাতিতে নেমে পড়ে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চরম ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। ঠিক এ মুহূর্তে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে একটি মহল রাসেল হাওলাদারের পক্ষ নিয়ে এবং অর্থ সহযোগিতা দিয়ে যুবলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সাজানো মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি অবিলম্বে যুবলীগের নামে এ সাজানো মামলা প্রত্যাহারসহ চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও ডাকাতি মামলার আসামি রাসেল গংদের গ্রেফতারের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তিনি।
বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনের সময় ওই সড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার ওসি আবদুল আউয়াল বলেন, মারধরের ঘটনায় বাদির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.