বিজ্ঞান অধ্যায় দুই : পরিবেশ দূষণ

সুপ্রিয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার সুবিধার্থে আজ তোমাদের বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অধ্যায় দুই : পরিবেশ দূষণ’ থেকে ১২টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।
প্রশ্ন : বায়ুদূষণ কাকে বলে ?
উত্তর : বায়ু আমাদের জন্য খুব দরকারি। বায়ুর স্বাভাবিক উপাদানের পরিবর্তন হলে আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বায়ুর স্বাভাবিক উপাদান পরিবর্তন হওয়াকে বায়ুদূষণ বলে।
প্রশ্ন : শব্দদূষণ কাকে বলে ?
উত্তর : উচ্চ তীব্রতা ও তীক্ষèতাসম্পন্ন যে শব্দ আমাদের শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে তাকে শব্দদূষণ বলে। শব্দদূষণের প্রভাবে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম ও পড়াশোনাতে ব্যাঘাত ঘটে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা হয়। যেমনÑ মাথাব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ হয়, হৃদরোগ হয় ইত্যাদি। এ ছাড়া আমাদের শ্রবণশক্তি কমে যায়, এমন কি বধির হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রশ্ন : মাটি দূষণের দু’টি কারণ লিখ।
উত্তর : মাটি দূষণের দু’টি কারণ নিচে দেওয়া হলোÑ
ক. মাটিতে বর্জ্য ও আবর্জনা অধিক পরিমাণে বেড়ে গেলে তা পচানোর ক্ষমতা থাকে না। এতে মাটি দূষিত হয়।
খ. প্লাস্টিক ও পলিথিনের ব্যাগ মাটিতে কখনো মিশে না ও পচেও না। এগুলা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে।
প্রশ্ন : বায়ুদূষণের প্রধান কারণ কী?
উত্তর : বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হলো যানবাহন ও কলকারখানার ধোঁয়া।
প্রশ্ন : বায়ুদূষণের ফলে মানুষ কী রোগে আক্রান্ত হচ্ছে?
উত্তর : বায়ুদূষণের ফলে মানুষ ফুসফুসের ক্যান্সার, শ্বাসজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
প্রশ্ন : দু’টি পানিবাহিত রোগের নাম লিখ।
উত্তর : দু’টি পানিবাহিত রোগের নাম হলোÑ কলেরা ও ডায়রিয়া।
প্রশ্ন : বায়ুদূষণের তিনটি উৎসের নাম লিখ।
উত্তর : বায়ুদূষণের তিনটি উৎস হলোÑ যানবাহন, কলকারখানা, ইটভাটা।
প্রশ্ন : মাটিতে পচে না এমন দু’টি দ্রব্যের নাম লিখ।
উত্তর : মাটিতে পচে না এমন দু’টি দ্রব্যের নাম পলিথিন ও প্লাস্টিক।
প্রশ্ন : লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটর চললে কোন ধরনের দূষণ হয়?
উত্তর : লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটর চললে শব্দদূষণ হয়।
প্রশ্ন : উচ্চ আওয়াজ, গোলমাল, বিভিন্ন শব্দ মানুষের কী সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে?
উত্তর : উচ্চ আওয়াজ, গোলমাল, বিভিন্ন শব্দ মানুষের মানসিক ও শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
প্রশ্ন : কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগে কী দূষিত হয়?
উত্তর : কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগে মাটি দূষিত হয়।
প্রশ্ন : পরিবেশ সংরক্ষণের অন্যতম প্রধান উপায় কী?
উত্তর : পরিবেশ সংরক্ষণের অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে জনসচেতনতা বৃদ্ধি।

 

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.