ভর্তা ভাজিতে ভরি পেট

মারিয়া নূর

রাজধানীর কাছেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে খাওয়ার জায়গা মানে এক কথায় বটতলা। আর বটতলা মানেই তো ভর্তা আর ভাজি। অনেক বছর আগে বটগাছের নিচে তিনটি দোকান দিয়ে বটতলার যাত্রা শুরু হয়েছিল। এখন বটতলার এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত হেঁটে যেতে সময় লাগে ১০ মিনিট। বটতলায় গেলেই চোখে পড়ে সারি সারি খাবারের দোকান। প্রতিটি দোকানের সামনে সাজানো হরেক পদের ভর্তা আর ভাজি।
আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তার সাথে শিম, টমেটো, কাঁচকলা, রসুন, ধনিয়া, সরিষা, কয়েক ধরনের মাছ, শুঁটকিভর্তা থেকে শুরু করে কালোজিরা, বাদাম এমনকি মুরগির গোশতের ভর্তাও পাওয়া যায় বটতলায়। দাম মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা। স্বাদে ভালো আর দামে কম হওয়ায় বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ভর্তা খেয়েই পেট ভরেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র আতাউর রহমানের সাথে কথা হয় বটতলায়। তিনি বলেন, ভাতের সাথে ভর্তা হলে আর কিছু লাগে না। বিশেষ করে মাসের শেষে নানা রকম ভর্তাই থাকে আমার খাবার তালিকায়। কম খরচে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে। তবে এখানকার ভর্তার খ্যাতিরও নাকি বিড়ম্বনা আছে। জোবাইদা মৌসুমী পড়ছেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে। তিনি একটু বিরক্তি নিয়েই বললেন, আমাদের এখানে ভর্তা ভালো, ফেসবুকের মাধ্যমে এই খবর সারা দেশে ছড়িয়ে গেছে। ভর্তা খেতে এসে অনেক সময় বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করে। অতিথি এলে আমরা অখুশি হই না। কিন্তু অতিথিদের মনে রাখা উচিত, এটা স্রেফ রেস্তোরাঁ নয়, একটা ক্যাম্পাস। গাড়ি নিয়ে এসে এখানে হইচই-চেঁচামেচি করাটা ঠিক নয়। এতে স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.