ঢাকা, রবিবার,২৪ মার্চ ২০১৯

উপমহাদেশ

শ্রীলঙ্কায় আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে মসজিদ, গৃহযুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা

আল-জাজিরা

১২ মার্চ ২০১৮,সোমবার, ১৭:৫৪ | আপডেট: ১২ মার্চ ২০১৮,সোমবার, ২০:০৫


প্রিন্ট
শ্রীলঙ্কায় আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে মসজিদ, গৃহযুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা

শ্রীলঙ্কায় আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে মসজিদ, গৃহযুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা

ক্যান্ডিতে মুসলিমদের ওপর হামলা ও তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার  তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কায় সফররত জাতিসংঘের রাজনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফরি ফেটম্যান। তিনি শ্রীলঙ্কার সরকারকে বলেন, মুসলিমদের ঘরবাড়ি ও মসজিদে হামলার পেছনে যারা জড়িত, তাদেরকে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে। শ্রীলঙ্কার সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘর-বাড়ি ও পবিত্র মসজিদ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ন্যক্কারজনক, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, লঙ্কান সরকারকে অবশ্যই সহিংসতা বন্ধে আশু পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু তাই নয়, এ সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশটিতে আবারও গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে, যদি সহিংসতা বন্ধ করা না যায়।  গত এক সপ্তাহধরে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে বৌদ্ধ-ধর্মাবলম্বীরা। মুসলিমদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে দুপক্ষের সংঘর্ষে এক বৌদ্ধ-ধর্মাবলম্বীর নিহত হওয়ার পরই সহিংসতায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। এরপরই বৌদ্ধরা মুসলিমদের ঘরবাড়ি, মসজিদে হামলা চালিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এ সময় দুই মুসলিম নাগরিককে হত্যা করে উগ্র বৌদ্ধরা। এরই মধ্যে শতাধিক মুসলিম সংঘর্ষে আহত হয়েছেন।

ঘটনার পরপরই সরকার ক্যান্ডিতে জরুরি কারফিউ ও অবস্থা জারি করে। তবে কারফিউ জারি করলেও বৌদ্ধরা সরকারের কারফিউকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুসলিমদের উপর আক্রমণ অব্যাহত রেখেছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজন মুসলিম পুরুষকেও। এরই মধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা শিরিসেনা গত শনিবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে সহিংসতা ঠেকাতে ক্যান্ডির রাস্তায় রাস্তায় সেনা সদস্যরা এখনো টহল দিচ্ছে। 

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫