ঢাকা, রবিবার,২৪ মার্চ ২০১৯

উপমহাদেশ

পর্বতে উঠতে গিয়ে ৫ কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১২ মার্চ ২০১৮,সোমবার, ১৩:২৫ | আপডেট: ১২ মার্চ ২০১৮,সোমবার, ১৩:৩৪


প্রিন্ট
পর্বতে উঠতে গিয়ে ৫ কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

পর্বতে উঠতে গিয়ে ৫ কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিল নাড়ুতে দাবানলে কমপক্ষে পাঁচ কলেজ ছাত্র মারা গেছে। সোমবার দেশটির পুলিশ একথা জানায়। খবর বার্তা সংস্থা সিনহুয়া’র।

রোববার ৪০ জনের একটি দল কুরাঙ্গিনি পাহাড়ে উঠার সময় এই ঘটনা ঘটে। পর্বতারোহীদের অধিকাংশই কলেজ ছাত্র।
পাহাড়টি রাজ্যের রাজধানী চেন্নাই থেকে প্রায় ৫৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছে, ‘রোববার রাতে ঘটনাস্থলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এসময়ে পাঁচ ছাত্রের পুড়ে যাওয়া লাশও উদ্ধার করা হয়।’

 

স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমোদন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

এনডিটিভি

গাইডলাইন মেনে স্বেচ্ছা মৃত্যুতে সম্মতি দিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। ‘সম্মানজনক মৃত্যু জীবনের অধিকার’ বলে গতকাল শুক্রবার ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে মন্তব্য করা হয়। তারপরেই ওই রায় ঘোষণা করা হয়।

যতদিন পর্যন্ত স্বেচ্ছামৃত্যু বিষয়ে নির্ধারিত কোনো নতুন আইন প্রণয়ন করা না হবে ততদিন পর্যন্ত গাইডলাইন মেনে স্বেচ্ছা মৃত্যুতে সম্মতি দিয়েছে আদালত। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গতকাল শুক্রবার বলেছে সম্মানজনক মৃত্যু অনুমোদনযোগ্য।

এ বিষয়ে উপযুক্ত আইন প্রণয়নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে সরকারকে। পাশাপাশি স্বেচ্ছা মৃত্যু নিয়ে আইন প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত এ গাইডলাইনই বহাল থাকবে বলেও হয়েছে জানানো।

স্বাভাবিক অবস্থায়, সুস্থ মস্তিষ্কে একজন মানুষ স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য আগে থেকেই অনুমতি চেয়ে রাখতে হবে। যদি তিনি কখনো তেমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়েন তখন তাকে স্বেচ্ছামৃত্যু গ্রহণ করতে হলে রাষ্ট্র যেন অনুমতি দেয়। গুরুতর অসুস্থতা বা যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতে যে কারো পরিবারের সদস্যরা বা বন্ধু-বান্ধব তাদের হয়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর অগ্রিম আবেদন জানাতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতাল বা চিকিৎসকদেরও মতামত থাকতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, একজন অসুস্থ ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা তার বন্ধুবান্ধব উচ্চ আদালতে তার স্বেচ্ছামৃত্যুর জন্য আবেদন জানালে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হবে। তারাই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫