বিজনেস ইনসাইডার
বিজনেস ইনসাইডার

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক নগরীগুলো কোনটি কোনটি?

বিজনেস ইনসাইডার

বিশ্বে সবচেয়ে বিপজ্জনক ৫০টি শহরের বেশির ভাগই ব্রাজিল ও মেক্সিকোয় অবস্থিত। এ ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল, দেশটির ১৭টি শহরই বিপজ্জনক। এর পরেই মেক্সিকোর অবস্থান, মেক্সিকোর ১২টি শহর এ তালিকায় স্থান পেয়েছে। সহিংসতার বিরুদ্ধে কাজ করে আসা মেক্সিকোর প্রতিষ্ঠান ‘সিকিউরিটি, জাস্টিস অ্যান্ড পিস’-এর করা এই তালিকায় বেশির ভাগ শহরই মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।

শীর্ষ ৫০টি শহরের তালিকায় ৪২টিই ল্যাটিন আমেরিকায় অবস্থিত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার কয়েকটি শহর এ তালিকায় রয়েছে। এশিয়া, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার কোনো শহর এই তালিকায় নেই। ২০১৭ সালে শহরগুলোতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের হারের ভিত্তিতে এই তালিকা করেছে ‘সিকিউরিটি, জাস্টিস অ্যান্ড পিস’। প্রতি এক লাখ মানুষে কয়জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় তার ভিত্তিতে করা হয়েছে এই তালিকা।

তালিকার বেশির ভাগ শহর ব্রাজিলের হলেও সবচেয়ে বিপজ্জনক শহর হিসেবে উঠে এসেছে মেক্সিকোর লস কাবোসের নাম। শহরটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ম্লøান করে দিয়েছে সহিংসতা। মেক্সিকোতে গত বছর ২৯ হাজার হত্যাকাণ্ড ঘটে। ১৯৯৭ সালের পর এটাই সর্বোচ্চসংখ্যক। লস কাবোসসহ শীর্ষ ১০-এ থাকা মেক্সিকোর শহরগুলো হলো- অ্যাকাপুলকো (তৃতীয়), তিজুয়ানা (পঞ্চম), লা পাস (ষষ্ঠ) ও ভিক্টোরিয়া (অষ্টম)।


তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের নাতাল, চতুর্থ স্থানেও রয়েছে ব্রাজিলের ফোর্তালেসা, নবম স্থানে রয়েছে ভেনিজুয়েলার গুয়ায়েনা এবং দশম স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের বোলেম।

মেক্সিকোর ১২টি শহরের নাম এই তালিকায় রয়েছে। জ্যামাইকা, হন্ডুরাস, পুয়ের্তো রিকো, কলম্বিয়া, এল সালভেদর ও গুয়েতেমালা শহরও রয়েছে বিপজ্জনক তালিকায়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইস, বাল্টিমোর, নিউ অরলিয়েন্স ও ডেট্রয়েট স্থান করে নিয়েছে শীর্ষ ৫০-এর তালিকায়। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বাইরে দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি শহর রয়েছে এই তালিকায়; সেগুলো হলো কেপটাউন, ডারবান ও নেলসন ম্যান্ডেলা বে।

প্রতিবন্ধী ফিলিস্তিনিকে গুলি হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা

আলজাজিরা

ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরে শুক্রবার মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতের নাম মোহাম্মদ জেইন আল জাবারি। জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকে এ নিয়ে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ২৭ জনে দাঁড়াল।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার পর এর প্রতিবাদে রাজপথে নামে ফিলিস্তিনিরা। তৃতীয় ইন্তিফাদা বা সর্বাত্মক প্রতিরোধের ডাক দেয় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। শুক্রবারও ট্রাম্পের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ফিলিস্তিনিরা। ২৪ বছরের মোহাম্মদ জেইন আল জাবারিও এতে অংশ নেন।


একপর্যায়ে ইসরাইলি সেনাদের ছোড়া একটি গুলি এসে তার বুকে বিদ্ধ হয়। হানাদার বাহিনীর বুলেটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত জাবারিকে হেবরনের সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। নিহতের চাচা আবু নাসের আলজাজিরাকে জানান, তার ভাতিজা মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল। এ ছাড়া তার উচ্চারণেও সমস্যা ছিল। নিহত মোহাম্মদ জেইন আল জাবারি পেশায় একজন নির্মাণকর্মী ছিলেন। তার চার বছরের এক শিশুসন্তান রয়েছে।


মানসিক দুর্বলতা বা অসুস্থতা সত্ত্বেও হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জাবারির প্রতিরোধকে গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন তার চাচা আবু নাসের। তিনি জানান, প্রায়ই ওই এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর অভিযান চলাকালে সবার আগে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেন জাবারি।


আবু নাসের বলেন, জাবারি ফিলিস্তিনকে ভালোবাসতো। ইসরাইলি সেনারা যখন শহরে প্রবেশ করত তখন সে বসে থাকত না। সে আমাদের পরিবারের গর্ব। তার মৃত্যু একটি অভিঘাত। পরিবারের জন্য এটি সহজ নয়। কিন্তু এটিই আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা। ফলে আমাদের বিষণœ হওয়ার কিছু নেই। ইসরাইলি বাহিনীর একজন মুখপাত্র আলজাজিরাকে বলেন, সঙ্ঘাতের প্রধান উসকানিদাতাকে গুলি করেছে সেনারা। নিহতের কাছে বোমা থাকারও দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.