বাঁ চোখের পাতা কাঁপে? ভয়ানক বিপদ!
বাঁ চোখের পাতা কাঁপে? ভয়ানক বিপদ!

বাঁ চোখের পাতা কাঁপে? ভয়ানক বিপদ!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

চোখের পাতা লাফাচ্ছে মানে আপনার বিপদ আসছে। কোনো কুসংস্কার নয়৷ বাস্তবিকই বাম চোখের পাতা কাঁপা মানে সমস্যা সামনে৷ চোখের পাতা কাঁপার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে৷

বিজ্ঞান জানাচ্ছে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণেই মূলত চোখের পাতা কাঁপে। চোখের পাতা লাফানো একধরনের অসুখ৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা যায়, ‘মায়োকিমিয়া’ পেশীর সংকোচনের কারণেই চোখের পাতা লাফায়। এছাড়া জ্বর, সর্দি, কাশির মতো চোখের পাতা কাঁপাও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার বাইরের লক্ষণ।

দুই একবার হঠাৎ চোখের পাতা লাফালে চিন্তার কিছু নেই৷ কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত৷ কী কী কারণে বাম চোখ বা ডান চোখের পাতা কাঁপে আসুন তা জেনে নেই।

দৃষ্টি সমস্যা : দৃষ্টিগত কোনো সমস্যা থাকলে চোখের ওপর চাপ পড়তে পারে৷ টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের আলোও চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে৷ আর এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানোর উপসর্গ দেখা দিতে পারে৷

চোখের শুষ্কতা : কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে, চোখে কনট্যাক্ট লেন্স ঠিকমতো না বসলে কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারে৷ এ কারণে চোখের পাতা লাফাতে পারে৷

মানসিক চাপ : কঠিন মানসিক চাপের ভেতর দিয়ে গেলে শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়৷ চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে অনেক ক্ষেত্রে৷

ক্লান্তি : পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোনও কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারে৷ ঘুমের অভাবে চোখের পাতা লাফালে পরিমিত ঘুম হলেই সেরে যাবে৷

পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা : পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ৷ বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে এমন হতে পারে৷

অ্যালার্জি : যাদের চোখে অ্যালার্জি আছে, তারা চোখ চুলকায়৷ এতে চোখ থেকে পানির সঙ্গে কিছুটা হিস্টামিনও নির্গত হয়৷ হিস্টামিন চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়৷

ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল : কোনো কোনো। বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ক্যাফিন এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত পরিমাণে পান করলে চোখের পাতা লাফাতে পারে|

চোখের পাতা লাফাচ্ছে তাই নিশ্চই কোনো খারাপ খবর আসতে পারে। এই ধরণের চিন্তা না করে যদি শারীরিক সমস্যা থাকে সেটা দূর করুন। নয়তো কিন্তু আপনার কুসংস্কারই সত্যি হয়ে যেতে পারে৷

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.