চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতির আহ্বান

লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করতে হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য লোডিং-আনলোডিং নির্বিঘœ রাখার ল্েয পণ্য খালাসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ স্থগিত করে আগের ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপির প্রতি এক পত্রের মাধ্যমে আহবান জানিয়েছেন।
গত বুধবার এক পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত জানুয়ারিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ১২০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধারণমতার জাহাজের সেকেন্ড ট্রিপ ২০ দিনের পরিবর্তে ১২ দিন, ১২০১-১৮০০ টন ২০ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন, ১৮০১-২৪০০ টন ২৪ দিনের পরিবর্তে ১৬ দিন এবং ২৪০১ টন বা তার বেশি মতার জাহাজের সেকেন্ড ট্রিপ বর্তমান ২৮ দিনের পরিবর্তে ২০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ েেত্র সময়সীমা পার হওয়ার সাথে সাথে সেকেন্ড ট্রিপ এবং পর্যায়ক্রমে থার্ড ট্রিপ গণনা শুরু হয়ে যাবে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ডেমারেজের কারণে আমদানি ব্যয় অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে যার দায়ভার শেষ পর্যন্ত ভোক্তা সাধারণকে বহন করতে হবে এবং এ সেক্টরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে।
এতে বলা হয়, লাইটারেজ জাহাজ বরাদ্দকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) সাথে আমদানিকারকদের সম্পাদিত চুক্তিনামায় ফ্রি টাইম, ডেমারেজ চার্জ, সেকেন্ড ট্রিপ, থার্ড ট্রিপ ইত্যাদি উল্লেখ থাকায় নতুন এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সঙ্কট সৃষ্টি হবে। দেশে চাল, গম, লবণ, ডাল, চিনি, সার, কয়লা, পাথর ইত্যাদি আমদানি বৃদ্ধি পেলেও খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় লাইটারেজ জাহাজ, জেটি ও অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত কোনো ঘাট তৈরি করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে যেমনÑ নয়াপাড়া, গাবতলী, কাঁচপুর ইত্যাদিতে অত্যাধুনিক সুবিধা না থাকার কারণে লেবার দিয়ে দৈনিক ২০০ টনের বেশি মাল খালাস করা সম্ভব হয় না, সে েেত্র ১১ দিনের মধ্যে আনলোডিং শেষ করা কোনোমতেই সম্ভবপর নয়। তাই লাইটারেজ থেকে মাল খালাসের সময়সীমা আগের মতো বহাল রাখতে হবে বলে জানান মাহবুবুল আলম।
এ ছাড়া দুই বছরের বেশি সময় লাইটারেজ জাহাজ তৈরি বন্ধ থাকার কারণে জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি না পেলেও আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। তাই সঙ্কট লাঘবে বিদেশ থেকে লাইটারেজ আমদানি অথবা ভাড়ায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে এবং দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ লাইটারেজ নির্মাণ করতে হবে বলে চেম্বার সভাপতি অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.