ঢাকা, সোমবার,২৫ মার্চ ২০১৯

শেষের পাতা

অত্যাধুনিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক ও কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া

জিয়াউল হক মিজান বনিয়ারচালা (গাজীপুর) থেকে

০৯ মার্চ ২০১৮,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মোশারফ কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলের প্রতিটি অংশেই আধুনিকতার ছোঁয়া। সর্বোচ্চ রফতারিকারক হিসেবে মিলেছে জাতীয় পুরস্কার। ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এ কারখানার প্রতিটি দেয়ালে ঝুলছে আগুন নিয়ন্ত্রণের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। ১৫০ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত কারখানাটি চার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এদের তিন হাজারই থাকেন ফ্যাক্টরির অত্যাধুনিক স্টাফ কোয়ার্টারে। গতকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সবাইকে স্তম্ভিত করে দেয়।
এতে শোকের ছায়া নেমে আসে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে।
মোশারফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মোশারফ হোসেন নয়া দিগন্তকে বলেন, দীর্ঘ ১২ বছরে তিলে তিলে গড়ে ওঠা এই কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আমাদের কিছুটা হলেও আহত করেছে। তবে মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী, কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আমাদের লোকজন সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার লোকজন অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে চলেছেন। পুরোপুরি না নিভলেও আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। তুলার গোডাউনে আগুন লাগলে সাধারণত নিভাতে কয়েক দিন সময় লাগে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের আশপাশের স্থাপনাগুলোও সম্পূর্ণ নিরাপদে আছে। সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, কারখানাটি ছিল সম্পূর্ণ নিরাপদ। আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে আমরা এখনো কিছু জানতে পারিনি। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫