ঢাকা, সোমবার,২৫ মার্চ ২০১৯

বাংলার দিগন্ত

তাড়াশে ক্ষীরার অস্থায়ী হাট বিক্রি হচ্ছে শত শত টন

লুৎফর রহমান তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)

০৯ মার্চ ২০১৮,শুক্রবার, ০০:০০


প্রিন্ট
তাড়াশের দিঘরিয়া গ্রামের অস্থায়ী হাটে বিক্রির জন্য বস্তায় ভরা হচ্ছে ক্ষীরা : নয়া দিগন্ত

তাড়াশের দিঘরিয়া গ্রামের অস্থায়ী হাটে বিক্রির জন্য বস্তায় ভরা হচ্ছে ক্ষীরা : নয়া দিগন্ত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গরম পড়ার সাথে সাথে জমে উঠেছে ক্ষীরার হাট। প্রতি বছরের মতো এ বছর উপজেলার সীমান্তবর্তী বারুহাস ইউনিয়নের দিঘরিয়া গ্রামে অস্থায়ীভাবে বসেছে এ হাট। প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে শত শত টন ক্ষীরা বিক্রি হচ্ছে।
হাটটি তাড়াশ সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী দিঘরিয়া গ্রামে বসে। আশপাশ এলাকা থেকে চাষিরা গরু, মহিষ, ঘোড়ার গাড়ি, নসিমন, করিমন ও অটোভ্যানে এ হাটে ক্ষীরা নিয়ে আসেন।
অন্য দিকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারেরা এ হাটে ক্ষীরা কিনতে আসেন। চাষিদের ও পাইকারদের আগমনে হাট এলাকা মানুষে পূর্ণ হয়ে যায়।
পাইকারেরা এ হাট থেকে ক্ষীরা কিনে বিভিন্ন শহর বা অঞ্চলের বিশেষ করে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও চট্টগ্রামে রফতানি করেন।
এ হাটে প্রতি ছোট বস্তা ক্ষীরা ২৫০-৩০০ টাকা ও বড় বস্তা ক্ষীরা ৫০০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ অঞ্চলের ক্ষীরা সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদা অনেক বেশি।
ক্ষীরা চাষি মাজেদ বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষীরা চাষ করতে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। খরচের টাকা বাদ দিয়ে আমার প্রতি বিঘায় ৩০ হাজার টাকা লাভ হবে।
দিঘরিয়া গ্রামের ক্ষীরা চাষি মোন্নাফ বলেন, ক্ষীরা চাষ করা অনেক ভালো। কারণ পোকামাকড়ের ঝামেলা কম, অন্যান্য আবাদের চেয়ে ঝুঁকি কম তাই এলাকার মানুষ ক্ষীরা চাষে আগ্রহী। এ ছাড়াও এক মওসুমে দুই থেকে তিনবার ফলন হয়। এতে ক্ষীরা আবাদে লাভ বেশি।
বারুহাস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন মুক্তা বলেন, ক্ষীরার অস্থায়ী হাট হওয়ায় এলাকার কৃষকদের সুবিধা হয়েছে। অনেক দূর থেকে পাইকারেরা আসেন। তাদের কোনো সমস্যা যেন না হয় সে দিকে আমরা খেয়াল রাখছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ৩৩০ হেক্টরে ক্ষীরা চাষ হয়েছে। চাষিরা ক্ষীরা আবাদে লাভবান হচ্ছেন। আবাদকালীন ক্ষীরা চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫