'জাপানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পাঠানো শ্রমবাজারের জন্য মাইলফলক'

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাপানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পাঠানো বাংলাদেশের শ্রমবাজারের জন্য মাইলফলক। দেশটিতে ইন্টার্নদের কর্মপরিবেশ ভালো। বেতনও বেশি। একটি জাতিকে উন্নত শিখরে নিতে হলে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। তাই টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পাঠাতে আমরা ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সমানভাবে ভাষা প্রশিক্ষণকেও গুরুত্ব প্রদান করছি।

আজ সকালে ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ ভবনে ‘কেয়ার গিভার ট্রেডে’ প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রমের লক্ষে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল এন্ড টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’র মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এসব কথা বলেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এনডিসি।

বিএমইটি’র মহাপরিচালক মোঃ সেলিম রেজা এবং ইউএমটিটিআইয়ের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী সমঝোতা চুক্তি স্মারকে সই করেন।

বিশেষ অতিথি সচিব ড. নমিতা হলদার বলেন, দক্ষতা ও ভাষা প্রশিক্ষণের গুণগত মান ধরে রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জাপানে বয়স্ক জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় সেখানে ‘কেয়ার গিভার ট্রেডে’ টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রেরণে আমাদের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সে লক্ষে আমাদের নারী ও পুরুষদের কেয়ার গিভার ট্রেনিং ও জাপানিজ ভাষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছি। তারই অংশ হিসেবে বিএমইটি’র সাথে ইউএমটিটিআই-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাথে মোট ১২ দেশের কোম্পানির সাথে কেয়ার গিভার প্রেরণে সমঝোতা চুক্তি রয়েছে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ জুলহাস এনডিসি, বাংলাদেশ ওভারসীজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিডেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরণ কুমার চক্রবর্তী প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.