ওভারে ৫ বল!
ওভারে ৫ বল!

ওভারে ৫ বল!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

টি-২০ ক্রিকেটে ১ ওভারে ৫ বল করার প্রস্তাব ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে (ইসিবি) দিলো দেশটির টেলিভিশন ব্রডকাস্টাররা। মূলত টি-২০ ক্রিকেটকে আড়াই ঘন্টার মধ্যে শেষ করার ইচ্ছা ইংল্যান্ডের টেলিভিশন ব্রডকাস্টারদের। এজন্য বেশ চাপেই আছে ইসিবি।

ইংলিশ গণমাধ্যমে এ ব্যাপারে প্রকাশিত এক খবরে আর বলা হয়েছে, ইসিবিকে দেয়া টেলিভিশন ব্রডকাস্টারদের প্রস্তাব এমন- ‘২০২০ সালে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে টি-২০ লিগ নতুনভাবে চালু করা যেতে পারে। সেখানে ৬ বলের পরিবর্তে ৫ বলের ওভার করা হবে। এমনকি, সময় বাঁচাতে পুরো ম্যাচে মাত্র একবার বোলিং প্রান্ত পরিবর্তনের নিয়ম করা যায়।’

টেলিভিশন ব্রডকাস্টারদের এমন প্রস্তাবে চাপে পড়ে গিয়েছে ইসিবি। টিভি স্বত্ব থেকে পাওয়া বড় অঙ্কের আয় পেতে হলে এমন প্রস্তাব বিবেচনা করা শুরু করে দিয়েছে ইসিবি।

অলিখিত ফাইনালে মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড

চার ম্যাচ শেষে ওয়ানডে সিরিজে ২-২ সমতা। তাই নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ডের পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের পঞ্চম ও শেষটি রূপ নিয়েছে অলিখিত ফাইনালে। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে জয় পেতে উদগ্রীব দু’দলই। পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে জিতলেই সিরিজ জিতে নিবে বিজয়ী দল। আগামী ১০ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শুরু হবে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে।

হ্যামিল্টনে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই শুভ সূচনা করে নিউজিল্যান্ড। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং-এ নামা ইংল্যান্ড জো রুটের ৭৫ বলে ৭১ ও উইকেটরক্ষক জশ বাটলারের ৬৫ বলে ৭৯ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের বড় সংগ্রহ পায়। তাই ২৮৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে বিপদে পড়লেও টেইলরের ১১৩ ও লাথামের ৭৯ রানে ম্যাচে ফিরে নিউজিল্যান্ড। এরপর শেষের দিকে লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যান মিচেল স্যান্টনার ২৭ বলে অপরাজিত ৪৫ রানের টনের্ডো ইনিংস খেললে ৩ উইকেটে জয়ের স্বাদ নেয় নিউজিল্যান্ড।

জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করে নিউজিল্যান্ড। ৩ উইকেটের জয় নিয়ে সিরিজে প্রথম লিড নেয় তারাই। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুড়ে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। বেন স্টোকসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ৬ উইকেটে জয় পায় ইংলিশরা।

সিরিজে সমতা আনতে পেরে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় ইংল্যান্ডের। তাই সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতেও জয়ের স্বাদ নেয় ইয়োইন মরগানের দল। বোলারদের নৈপুণ্যে ওয়েলিংটনের ওয়ানডে ৪ রানে জিতে সফরকারীরা।
২-১ ব্যবধানে এগিয়ে সিরিজ জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। চতুর্থ ওয়ানডে জিতলেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করবে তারা। কিন্তু চতুর্থ ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডকে সেই সুযোগ দেননি নিউজিল্যান্ডের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রস টেইলর। ১৮১ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে জয় এনে দেন টেইলর।

জনি বেয়ারস্টোর ১৩৮ ও জো রুটের ১০২ রানের কল্যাণে ৯ উইকেটে ৩৩৫ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে অপরাজিত ১৮১ রানের ইনিংস খেলে নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন টেইলর। সেই সাথে সিরিজে কিউইদের সমতা আনার সুযোগ করে দেন তিনি। তাই এখন সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে নিউজিল্যান্ড।

পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে জিতে সিরিজ জয়ের স্বাদ নিতে মরিয়া নিউজিল্যান্ড। এমনটাই জানালেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, ‘শেষ ওয়ানডেতে আমরা জিততে চাই। এতে আমরা সিরিজ জয় করতে পারবো। সিরিজ জিততে হলে শেষ ম্যাচে আমাদের জয় চাই। দলের সবাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে সিরিজ জয় অসম্ভব কিছুই না। যেমনটা আমরা পুরো ওয়ানডে সিরিজেই খেলেছি। ছোট ছোট ভুলে দু’টি ম্যাচে আমরা হেরেছি। তবে সতীর্থরা ভালো ক্রিকেট খেলেছে। আশা করবো সিরিজে শেষ ম্যাচেও তাদের উজ্জ্বল পারফরমেন্স দেখতে পাবো।’

নিউজিল্যান্ডের মতো সিরিজ জিততে চায় ইংল্যান্ডও। এ জন্য তিন বিভাগেই ভালো পারফরমেন্স করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ইংলিশ অধিনায়ক ইয়োইন মরগান। অলিখিত ফাইনালের আগে তিনি বলেন, ‘সিরিজ জিততে হলে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে আমাদের। শেষ ম্যাচে অনেব বেশি পরিকল্পনা ও আক্রমনাত্মক ক্রিকেট খেলবে নিউজিল্যান্ড। এ জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং ম্যাচ জয়ের জন্য খেলতে হবে। যাতে প্রতিপক্ষ কোন সুযোগ না পায়। চতুর্থ ম্যাচে আমাদের বোলাররা ভালো বোলিং করতে পারেনি। আশা করবো, শেষ ওয়ানডেতে তারা ভালো বোলিং করবে এবং দলকে সেরা সাফল্য এনে দিবে। শুধুমাত্র বোলাররাই নয়, সিরিজ জিততে হলে তিন বিভাগেই আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই সবাই মাঠে নামবে।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.