কেশবপুরে দু‘স্কুল ছাত্রী অপহরণের চেষ্টাকালে আটক ২

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা

কেশবপুর উপজেলার কাকিলাখালি সম্মিলনী বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর দু‘ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টাকালে এলাকাবাসী অপহরণকারী দু‘যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আটক কৃতদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর কার্যালয়ে হাজির করা হলে সেখানে ভ্র্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ইভটিজিং এর দায়ে সাজা হিসেবে ওই দু‘ যুবককে যশোর পুলের হাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের বয়স ১৮বছর পূর্ন হলে ছাড়া পাবেন ।একথা সাজার রায়ে উল্লেখ করা হযেছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর সুত্রে জানাগেছে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্র জানায় ৭মার্চ দুপুরে উপজেলার কাকিলাখালি সম্মিলনী বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ২ ছাত্রী টিফিন প্রীয়র্ডে প্রতাপপুর বাজারের একটি দোকান থেকে খাবার কিনে স্কুলে ফিরছিল। এ সময় উপজেলার ব্রহ্মকাটি গ্রামের দীন ইসলামের ছেলে মেহেরাব হোসেন স্বাধীন (১৭বছর ৬মাস) ও বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল হালিম (১৭বছর ৩মাস) ওই দু ছাত্রীকে কেশবপুর-সাগরদাড়ী সড়কের প্রতাপপুর গ্রামের মাষ্টার ফরিদ মোড়লের বাড়ির নিকট থেকে অপহরনের চেষ্টা করে। ওই দুযুবক হাসানপুর বাজার থেকে মটর সাইকেলযোগে এসে ছাত্রী দুজনের পথরোধ করে অপহরণের চেষ্টা করে। এসময় তাদের চিৎকারে এরাকাবাসী তাদের আটক করে প্রতাপপুর নিভারাণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে কেশবপুর থানার ওসি তদন্ত শাহজাহান আহমেদ ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে সেখান থেকে তাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট হাজির করা হলে সেখানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর ক্ষমতাবলে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে রায় দেন । রায়ে যুবক দ্বয়ের বয়স ১৮বছর পূর্ন না হওয়ায় তাদের কারাগারে না পাঠিয়ে যশোর পুলের হাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠিয়ে বন্ধি রাখা হযেছে। এর মধ্যে আটক স্বাধীন ৬মাসের আর আব্দুল হালিমকে ৯মাস ওই কারাগারে থাকতে হবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.