রাজনগরে ভাঙ্গারহাটের ভাঙ্গাচুরা রাস্তা : ভোগান্তিতে ৭ গ্রামের মানুষ

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরে ভাঙ্গারহাটের ভাঙ্গা রাস্তার কাজ সময় মত শুরু না হওয়ায় ৭ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। বিগত পাঁচ বছর ধরে ভেঙেচুরে খানাখন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে মৌলভীবাজার কুলাউড়া সড়ক হতে ভাঙ্গারহাট পর্যন্ত ১৬৫৫ মিটার রাস্তা। রাস্তায় চলাচলকারীরা অভিযোগ করলেন অতিরিক্ত ট্রাক চলাচলের কারনেই রাস্তার এ দশা হয়েছে। ওই এলাকায় রয়েছে দুটি ব্রিক ফিল্ড ও দুটি বালুমহাল যে কারনে এ গুলো পরিবহনে ট্রাকের চলাচল বেশী। দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তায় কোন মেরামত কাজ না হওয়াতে তৈরী হয় ছোট বড় গর্ত।
বিভিন্ন স্থানে রাস্তার দু’পাশের মাটি ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বেহাল সড়কে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ধুলা-বালিতে ভরে গিয়ে এমন হয়েছে সড়কটি পাকা না কাচাঁ পার্থক্য করা কঠিন হবে।
সরজমেিন দেখাযায়,কুলাউড়া মৌলভীবাজার সড়ক হতে, ১৬৫৫ মিটার ভাঙ্গার হাট সড়কের অধিকাংশ স্পটে পিচ ও খোয়া উঠে অসংখ্য গর্তের সৃষ্ঠি হয়েছে। কোথাও সড়কের নিচ থেকে মাটি বের হয়েছে। চলাচলে দুর্ভোগে পরছেন সাধারণ মানুষ। খানাখন্দে ভরা ঝুকিপূর্ণ এই সড়কে ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। ধুলো বালি উড়ে আশপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা দিয়ে একবার যাতায়াত করলে গোসল করতে হয় এমন কথা বলেন রাস্তায় চলাচলকারী পাশবর্তী কাটাজুড়ি গ্রামের বাবলু।
কথা হয় আদিনাবাদের সবজি বিক্রেতা কুতুব মিয়ার সাথে তিনি জানান ৫ বছর ধরে আমরা কষ্ট করে এ রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করছি। সবজি পরিবহন করতে না পেরে নিজ কাঁধে বহন করে বাজারে নেই। কাটাজুড়ি গ্রামের মুজিবুর রহমান বলেন রাস্তায় কাজ হওয়ার কথা শুনেছি কিন্তু কতিপয় প্রভাবশালী মানুষের রহস্যজনক ভুমিকার কারনে হচ্ছে না। ট্রাক চালক মকুল বলেন বালুমহাল ইট ভাটা রয়েছে এজন্য ট্রাক চলাচল করে। রিক্সাচালক আকবর আলী বলেন যাত্রী নিয়ে আসা যাওয়ায় প্রতিদিন এক ডজন সিক ভাঙ্গে যার মূল্য ৬০ টাকা। ঝুঁকিপুর্ন ভাবে যাতায়াত করি। মিটিপুর, আদিনাবাদ, সৈয়দনগর,আকুয়া,একামধু, ডলা,আদমপুর এই সাতগ্রামের ১০/১৫ হাজার মানুষ চলাচলের রাস্তাটি অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
রাজনগর উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে তিনি বলেন ভাঙ্গারহাট রাস্তার ১৬৫৫ মিটার রিপিয়ারিং কাজের জন্য ব্যায় বরাদ্ধ ১৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। দরপত্র আহবান করা হয়েছে বিগত ০৮/১১/১৭খ্রিঃ তারিখে। কাজ শুরুর সময় সীমা হচ্ছে ০৮/০৩/১৮ কাজ সম্পাদন করার দায়িত্ব পেয়েছে মের্সাস আকবর আলী। কেন কাজ শুরু হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন আমরা যোগাযোগ করছি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বলছে কাজশুরু করবে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.