ক্যান্সার আক্রান্ত পিতাকে বাঁচাতে দুই শিশু সন্তানের আকুল আর্তনাদ

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর অফিস

ওষুধ কোম্পানীর রিপ্রেজেনটেটিভ শিপন খন্দকার ক্লোন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে এখন মৃত্যু শয্যায়। অর্থের অভাবে তার চিকিত্সা হচ্ছে না। এ অবস্থায় তার চিকিত্সার জন্য দুই সন্তান ৫ম শ্রেনী পড়–য়া আজমুর রহমান মাহি ও দ্বিতীয় শ্রেনী পড়–য়া ইসরাত জাহান অনন্যা সরকার ও বিত্তবানদের কাছে আকুল আর্তনাদ জানিয়েছেন।

একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকরিরত শিপন খন্দকার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের হিরকপাড়া গ্রামের মোজাহিদ আলি খন্দকার ও কল্পনা বেগমের পুত্র। হঠাতই তার শরীরে ক্লোন ক্যান্সার ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটালে চিকিত্সাধীন আছেন। তার চিকিত্সক ওই হাসপাতালের মেডিক্রাল ওনোকোলোজি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোঃ ইসলাম উদ্দিন চৌধুরী জানান, শিপন খন্দকার ক্লোন ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাকে ৫ দিন পর একই সাথে কেমো থেরাপী ও রেডিও থেরাপী দিতে হচ্ছে। তার চিকিত্সার জন্য ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার প্রয়োজন।

শিপন খন্দকারের পুত্র গোবিন্দগঞ্জ মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুর রহমান মাহি জানান, আমার আব্বুকে বাঁচাতে আপনারা এগিয়ে আসুন। হাসাপাতালে আমার বাবা যন্ত্রনায় ছটফট করছে। আপনাদের অনেকের কিছু করে আর্থিক সহায়তা আমার পিতার জীবন বাঁচিয়ে দিবে। বাবা না থাকলে আমরা কোথায় যাবো। কার কাছে থাকবো। কিভাবে বড় হবো।

একই প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী কন্যা ইসরাত জাহান অনন্যা কাঁদতে কাঁদতে জানান, আমার বাবা অনেক দিন আমাদের সাথে খেলেন না। ভালো ভাবে কথা বলেন না। পড়া দেখিয়ে দেন না। প্লিজ আপনারা আমার পিতার চিকিত্সার জন্য টাকা পয়সা দান করুন। আমার পিতাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।

শিপনের স্ত্রী কহিনুর বেগম জানান, শিপনের বাবা মা কেউ বেঁচে নেই। একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিলেন তিনি। যা কিছু ছিল সব শেষ করে তার চিকিত্সা আমরা করছি। এখন আর চিকিত্সা করার মতো কোন অর্থ নেই। ৫ দিন পর পর থেরাপী না দিলে তার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, অবুঝ দুটি সন্তানের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকার ও বিত্ববানদের কাছে চিকিত্সার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন তিনি। তাকে সহযোগিতা পাঠানো যাবে একাউন্ট নং ২০৫০২১৯০২০১৭০৯৮০৬, ইসলামী ব্যাংক, গোবিন্দগঞ্জ শাখা, গাইবান্ধা। অখবা নয়া দিগন্ত রংপুর ব্যুরো ০১৭১২-১১১৪১৯ নম্বরে যোগাযোগ করেও তাকে আর্থিক সহায়তা করা যাবে। 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.