ভ্যান বিক ও ম্যাট ম্যাকইয়ান (ডানে)
ভ্যান বিক ও ম্যাট ম্যাকইয়ান (ডানে)

১১২ বছরের ইতিহাসে হ্যাটট্রিকের এমন রেকর্ড!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে এক ঘণ্টায় দুটি হ্যাটট্রিকের নজির ঘটলো। ঘরোয়া আসর প্লাংকেট শিল্ডের দুই ম্যাচে হ্যাট্টিক করেন লগান ভ্যান বিক ও ম্যাট ম্যাকইয়ান।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্লাংকেট শিল্ডের ১১২ বছরের ইতিহাসে একই দিনে দুই বোলারের হ্যাটট্রিক করার ঘটনা এই প্রথম।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন ওয়েলিংটনের পেসার ভ্যান বিক। ইনিংসের চতুর্থ ও ষষ্ঠ ওভার মিলিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। প্লাংকেট শিল্ডের ৪০তম হ্যাটট্রিক ছিল সেটি। প্রতিপক্ষ ছিল বিকের সাবেক দল ক্যান্টারবুরি।

এক ঘণ্টার মধ্যে প্লাংকেট শিল্ডের ৪১তম হ্যাট্টিক করেন অকল্যান্ডের ম্যাকইয়ান। অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে নর্দান ডিসট্রিক্টের বিপক্ষে ২৬ ও ২৮তম ওভার মিলিয়ে হ্যাট্টিক করেন ম্যাকইয়ান।

এক ঘণ্টার মধ্যে দুই হ্যাটট্রিকই শুধুমাত্র কাকতালীয় ছিল না। আর অনেক কাকতালীয় ব্যাপারও ঘটেছে এখানে। বিক ও ম্যাকইয়ান দু'জনেরই বয়স ২৭, দু’জনই ডান-হাতি পেসার, দু’জনই একই দলে খেলেছিলেন, দু’জনে একই স্কুলেও পড়াশুনা করেন।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলা সেই খুদে বোলারের আবদার

এক খুদের বোলিং অ্যাকশন সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তার নাম হাসান আখতার। বয়স মাত্র ৬ বছর। পাঞ্জাবের চিচাওয়াতনি জেলার বাসিন্দা। তার বোলিংয়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওয়াসিম আকরাম নিজে প্রশংসা করেছেন। এরপর থেকেই ছোট্ট ছেলেটি এক রাতের মধ্যেই বিখ্যাত হয়ে গেছে।

এই বিস্ময় বালক জানিয়েছে, তার আদর্শ ওয়াসিম আকরাম।

গত কয়েকদিন ধরে তার ভিডিও'র মাধ্যমে পুরো সোশ্যাল মিডিয়া দেখেছে, কীভাবে বাঁ-হাতি হাসানের এক-একটা ডেলিভারি দেয়ালে বুলেটের মত আছড়ে পড়ছে। একটি স্টাম্প রেখে বল করে ৬টি ডেলিভারির মধ্যে কমপক্ষে তিনবার সে উইকেটে হিট করেছে। যা দেখে অনেকে তাকে ‘খুদে ওয়াসিম আকরাম’ বলে চিহ্নিত করেন। এমনকী, হাসানের প্রশংসায় মুখ খোলেন স্বয়ং ‘সুলতান অফ সুইং’ ওয়াসিম আকরামও।

পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম হাসানের সাথে তার বাড়ি গিয়ে কথা বলে। খুদে জানায়, নিজের অ্যাকশন ঠিক করার জন্য সে নিয়মিত চার-ঘণ্টা বল করে।

তার ভাষ্য, 'আমি স্কুলে প্রথম থেকেই ক্রিকেট খেলি। আমার প্রিয় ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম। তাকে দেখেই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।'

হাসান জানায়, তার আইডল ওয়াসিম আকরাম যদি তাকে কোচিং করায়, তাহলে সে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করবে।

জানা গেছে, পেশায় কৃষক হাসানের বাবা তার ছেলেকে সবসময় ক্রিকেট খেলায় উৎসাহ দেন। ছোট বয়স থেকেই যে হাসানের বোলিংটা ভালো, তা জানেন তিনিও। বলেন, হাসানের বল তার চেয়ে বয়সে বড় ক্রিকেটাররাও ভয় পায়। এলাকায় ইতোমধ্যেই পেস সেনসেশন হয়ে উঠেছে ছয় বছরের এই বালক।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.