এবার চাঁদেও মোবাইল নেটওয়ার্ক!
এবার চাঁদেও মোবাইল নেটওয়ার্ক!

এবার চাঁদেও মোবাইল নেটওয়ার্ক!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

৫০ বছর আগে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন নাসার মহাকাশচারীরা। এবার পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে চাঁদে মোবাইল ফোনের অবাধ বিচরণ হতে চলেছে আর মাত্র এক বছরের মধ্যে।

না, কোনো সায়েন্টিফিক ফিকশনের গল্প নয়; এ ঘোর বাস্তব। এর ফলে চাঁদ থেকে সরাসরি পৃথিবীতে করা যাবে হাই ডেফিনিশন স্ট্রিমিং।

এই উদ্যোগকে সফল করতে হাত মিলিয়েছে ভোডাফোন জার্মানি, নোকিয়া এবং অডি সংস্থা। মঙ্গলবার তিন সংস্থার পক্ষ থেকে এ খবর জানানো হয়েছে।

নোকিয়ার উপর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এমন একটি স্পেস-গ্রেড নেটওয়ার্কের হার্ডওয়্যার তৈরি করার, যার ওজন এক ব্যাগ চিনির থেকেও কম হবে। এই কাজে ভোডাফোন, নোকিয়া ও অডির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বার্লিনের সংস্থা PTScientists। ২০১৯ সালেই নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য।

ভোডাফোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SpaceX Falcon 9 রকেটের সাহায্যে কেপ কানাভেরাল থেকে লঞ্চ করা হবে স্পেস নেটওয়ার্ক।

এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফাইভ-জি পরিষেবা এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক বেসই তৈরি করা হবে চাঁদের মাটিতে। সূত্র: ডেইলি মেইল

নেটওয়ার্ক নেই, গাছে চড়ে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন দেখছে ভারতের বর্তমান সরকার। বহু জায়গায় স্মার্টফোন, ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা লেনদেন, জিনিসপত্র কেনাবেচার প্রক্রিয়াও চলছে। বাস্তবে কি দেশের সব জায়গা সমানভাবে ডিজিটাইজ়ড হয়ে উঠছে? উত্তরটা অবশ্যই না। উদাহরণ হাতেনাতে পেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল। মোবাইল ফোনে সিগনাল না পেয়ে বাধ্য হয়ে গাছে চড়তে হল তাকে।

গত বছরের মাঝামাঝির ঘটনা। রাজস্থানের বিকানেরের ধূলিয়া গ্রামে গিয়েছিলেন অর্জুন। মোদি সরকারের তিনবছর উপলক্ষে সাধারণ মানুষের সামনে জনমুখী প্রকল্পের কথা তুলে ধরাই লক্ষ্য ছিল। সেখানে গিয়ে মহাসমস্যায় পড়েন তিনি। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, স্থানীয় হাসপাতালে নার্স নেই। অভিযোগ পেয়েই স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ফোনে ধরার চেষ্টা করেন মন্ত্রী। কিন্তু, নেটওয়ার্ক সমস্যায় ফোন যাচ্ছিল না।

বাসিন্দারা জানান, এখানে ফোন ধরা অসম্ভব। সিগনালই যে থাকে না। কিন্তু, একটা উপায় আছে। তা হল গাছে চড়া। গাছে চড়েই নাকি একমাত্র ফোন করা সম্ভব। কিন্তু, ৬২ বছর বয়সি এক বৃদ্ধের পক্ষে গাছে চড়া সম্ভব নয়। তাই, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জন্য মইয়ের ব্যবস্থা করা হয়। মইতে উঠে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোন করেন। ওই মুহূর্তে গ্রামেরই কেউ একজন তা ক্যামেরাবন্দি করে রাখেন। পরে তা ভাইরাল হয়।

নেটওয়ার্ক সমস্যায় পড়ে তিন মাসের মধ্যে ওই গ্রামে মোবাইল টাওয়ার বসানোর নির্দেশ দেন মেঘওয়াল।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.