‘শেখ হাসিনা দায়িত্বে বলেই দেশে আইনের শাসন বিদ্যমান’

অস্ট্রেলিয়া থেকে সংবাদদাতা

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব আছে বলেই দেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র বিদ্যমান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, মানুষ এখন সরকারের সমালোচনা করতে পারে, মন খুলে কথা বলতে পারে, লিখতে পারে এবং জানতে পারে। আগে মানুষের এসব অধিকার ছিল না।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া ও সিডনি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সময় রোববার দুপুরে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনির রকডেলের একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

খালিদ মাহমুদ বলেন, এ যাবত বাংলাদেশের যত অর্জন সব আওয়ামী লীগের হাত ধরে এসেছে। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেন। তারপর দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে স্বাধীনতা উপহার দেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীরা তাকে পঁচাত্তরে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় পর আবার আওয়ামী লীগই দেশে সাংবিধানিক ধারা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও পঁচাত্তরের খুনিদের বিচারেও শেখ হাসিনার সরকার অপরাধীদের আইনের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ দিয়েছে। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের জিয়াউর রহমান রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল। আর পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করতে জিয়াউর রহমান ইনডেমমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার সবাইকে আইনের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ দিয়ে বিচার সম্পন্ন করেছে। তবে যারা আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নিবে, এটাই সুশাসন ও আইনের শাসন।

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সমালোচনা করে এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আজকে অনেকে আইনকে ‘খেলনা’ বলছেন- পঁচাত্তরের পর যখন বিনা বিচারে শত শত মুক্তিযোদ্ধা অফিসারকে হত্যা করা হল তখন তিনি কোথায় ছিলেন। তিনি কেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় একদিনও ট্রাইব্যুনালে যাননি। তার মেয়ের জামাই যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিশ্বব্যাপী দুতিয়ালি করে বেরিয়েছে। ‘দুর্নীতিবাজ’ তারেক রহমান বিএনপির দায়িত্ব নেয়ায় আজকে তিনি বলছেন, এর মূল্যায়ণ দেশবাসী করবে। তাহলে তিনি কি দেশের বাইরের লোক। তিনি এই দেশের নাগরিক নন। কিভাবে একজন দুর্নীতিবাজের পক্ষে তিনি সাফাই গান!

অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক সিরাজের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক বদিউল হক, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাওসুল আজম শাহজাদা প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.