চাকরিতে প্রবেশের বয়স ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে অনশনে ছাত্র পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে অনশনে নেমেছেন সাধারণ ছাত্র পরিষদ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। জাতীয় প্রেস কাবের সামনে গতকাল সকাল থেকে তারা অনশন শুরু করেছেন। 
এতে বক্তারা দাবি করেছেন বর্তমানে বাংলাদেশে উচ্চশিেিতর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সমানুপাতিক হারে বাড়ছে না কর্মসংস্থান। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন এসেছে দেশের শিাব্যবস্থায়। দীর্ঘায়িত হয়েছে শিা জীবন, পরিবর্তন এসেছে সমাজ ব্যবস্থার। জীবিকা নির্বাহ খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, জীবিকা নির্বাহের তাগিদে একজন ব্যক্তির শিা জীবন শেষ করেই ছুটতে হচ্ছে চাকরির পেছনে। সাধারণত একজনকে শিা জীবন শেষ করতেই লেগে যাচ্ছে ২৭-২৮ বছর। সরকারি চাকরি বিশেষ করে বিসিএসের মতো কঠিন পরীায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রয়োজন কঠোর অধ্যবসায় ও প্রচুর সময়। চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩০ বছরে সীমাবদ্ধ থাকায় একজন চাকরির পড়াশোনার প্রস্তুতির সময় কম পাচ্ছেন। যদি একজন শিার্থী পড়াশোনা শেষে জীবিকা নির্বাহের জন্য আধা সরকারি অথবা বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তীতে কোনো একসময় চাকরি পরিবর্তন করে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে চান, তখন সেই ব্যক্তির পে তা সম্ভবপর হয়ে হয়ে ওঠে না। কারণ, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছরে সীমাবদ্ধ। অপর দিকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর নির্ধারিত থাকায় বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও অনানুষ্ঠানিকভাবে তা অনুসরণ করে আসছে। যার ফলে যারা ২৭-২৮ বছরে দেশে শিাজীবন শেষ করে উচ্চতর শিার জন্য বিদেশ গমন করেন তারা কিন্তু আর দেশে ফিরে কোনো চাকরিতে প্রবেশ করতে পারেন না।
এতে বক্তব্য রাখেন ইমতিয়াজ হোসেন, সঞ্জয় দাস, হারুন অর রশিদ, শফিকুর রহমান, সুদীপ পাল, এম. আলী, আনিসুল হক, কামরুন্নাহার ঝুমা, কামাল হোসেন, মোহন খান, ফারিয়া। তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে সংগঠনটির প থেকে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.