রা শি য়া র রূ প ক থা

নেকড়ে বাঘের খিদে

হাসান হাফিজ

(গত দিনের পর)

খিদের জ্বালা বেড়ে গেছে। হাঁসফাঁস লাগছে কেমন যেন। খাবার কোথায় পাওয়া যাবে? নেকড়ে গা ঝেড়ে আবার বেরিয়ে পড়ে। কিছুদূর এগোনোর পর দেখা পেল একটা ঘোড়ার। কচি কচি ঘাসপাতা চিবোচ্ছে আরামে। লেজ নেড়ে মাছি তাড়াচ্ছে। বাহ, বেশ ভালো শিকার মেলে গেছে। নেকড়ের মন খুশি হয়ে ওঠে।
এটাকে হাতের নাগালে পেলে বেশ হয়। এর গোশত দিয়ে কয়েক দিন চলে যাবে। এই ঘোড়াটা খুব হৃষ্টপুষ্ট। দেখলেই জিভে পানি চলে আসে। নেকড়ে ভাবে, যাক বাবা! আমার ভাগ্য আজ একেবারে খারাপ নয় তাহলে। কৌশল করতে হবে। বোকামির জন্য ভেড়া শিকার করা সম্ভব হয়নি। উল্টো মার খেতে হয়েছে। সারা গায়ে এখনো ব্যথা। টাটাচ্ছে। সেই ভুল আর করা যাবে না।
দ্বিতীয়বার ভুল করলেই সর্বনাশ! আবার কোন শাস্তি জোটে কে জানে! খুব সাবধানে কাজ হাসিল করতে হবে তাই। ঘোড়াটাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে বোকা বানাতে হবে। সবার আগে করতে হবে এই কাজটা। যেই ভাবা, সেই কাজ। নেকড়ে সোজা চলে গেল ঘোড়ার সামনে। ঘোড়া মুখ তুলে তাকায়। নেকড়ে ফিসফিস করে তাকে বলে,
ভাই ঘোড়া, তুমি ভারি সুন্দর একটা প্রাণী। ( চলবে)

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.