কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আগে ফুল দেয়া নিয়ে ছাত্রলীগের তিনটি গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন দৃশ্য : নয়া দিগন্ত
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আগে ফুল দেয়া নিয়ে ছাত্রলীগের তিনটি গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন দৃশ্য : নয়া দিগন্ত

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্রলীগের মারামারি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আগে ফুল দেয়া নিয়ে ছাত্রলীগের তিনটি গ্রæপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের মধ্যে এ মারামারির ঘটনা ঘটে।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, সকালে শহীদ মিনারে বিপুল লোক সমাগম ছিল। বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন। এ সময় সোহরাওয়ার্দী কলেজের তিন শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগ কর্মীরা ব্যানারে ব্যবহৃত বাঁশের লাঠি ব্যবহার করে অন্য পক্ষকে আঘাত করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের একটি সূত্রে জানা যায়, শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার জন্য বিজয় একাত্তর হলের নেতাকর্মীরা যাচ্ছিলেন এ সময় মহানগর ছাত্রলীগের একটি ইউনিট আগে ফুল দিতে চায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া বাইরের একটি শাখার সাথে সংঘর্ষ হয় তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
এ ঘটনার একটি ছবি নয়া দিগন্তের কাছে রয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কায়েস, মহব্বত এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ইউনুসকে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, এ সময় কায়েস লাঠি নিয়ে প্রতিপক্ষকে দ্বিতীয়বার মারধর করতে গেলে অন্য দু’জন তাকে বাধা দেন।
তবে মারামারির কোনো ঘটনায় বিজয় একাত্তর হল জড়িত নয় মন্তব্য করে শাখা সভাপতি ফকির রাসেল আহমেদ বলেন, রামপুুরা যুবলীগ ও লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় ভিড়ের মধ্যে আমার এক কর্মী আটকে পড়লে অন্যরা তাকে উদ্ধার করে। তবে লাঠি হাতে ছবির বিষয়ে রাসেল বলেন, এটা নিয়ে আমি বিব্রত। ওখানে ঝামেলা হয়েছিল তাই তারা ইচ্ছে করে বাঁশ হাতে নিয়েছে। 
তবে একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ইউনুস বলেন, সে (লাঠি হাতে থাকা কায়েস) কাউকে মারছিল না। জুনিয়রদের তাড়িয়ে দিচ্ছিল। 
এ বিষয়ে জানাতে একাধিকবার ফোন দিলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ লাইন কেটে দেন। সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনও কল রিসিভ করেননি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.