দ্বিতীয় জয় মোহামেডানের

বাসস

শুক্কুর-রকিবুলের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ নিলো মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আজ নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে মোহামেডান ১৫৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে।
ত্রিদেশীয় সিরিজের পর শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-২০ শেষে আজই মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম অনুষ্ঠিত হলো প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ। চতুর্থ রাউন্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মোহামেডান। ৭১ রানে শুরু হলেও ১২১ রানের মধ্যে প্রথম ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মোহামেডান।
তবে পঞ্চম উইকেটে ১২১ রানের জুটি বেধে দলকে ভালো অবস্থায় নিয়ে যান রকিবুল ও শুক্কুর। দু’জনই তুলে নেন হাফ-সেঞ্চুরি। রকিবুল ৮৫ বলে ৭৭ রান করে ফিরলেও, সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় পৌঁছে থেমে যান শুক্কুর। ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৮৩ বলে ৯২ রান করেন তিনি। রকিবুলের ইনিংসে ছিলো ৮টি চার।
এ ছাড়া শেষদিকে, ভারতের বিপুল শর্মার ২টি করে চার-ছক্কায় ২৯ বলে ঝড়ো ৪১ ও এনামুল হকের ৯ বলে অপরাজিত ২০ রানের কল্যাণে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৩৫ রানের সংগ্রহ পায় মোহামেডান। শেষ ১০ ওভারে ১০৩ রান তুলতে সক্ষম হয় মোহামেডান। অগ্রণী ব্যাংকের আল আমিন হোসেন, সৌম্য সরকার ও আব্দুর রাজ্জাক ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে জয়ের জন্য ৩৩৬ রানের লক্ষ্যে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি অগ্রণী ব্যাংকের। ১৩ রানে দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও আজমির আহমেদকে হারায় তারা। গতকাল শ্রীলংকার বিপক্ষে শেষ টি-২০ ম্যাচে ৪ বল খেলে শূন্য হাতে ফেরা সৌম্য আজও রানের খাতা খুলতে পারেননি। অবশ্য আজ গতকালের চেয়ে ২ বল কম খেলেন সৌম্য। মোহামেডানের পেসার শুভাশিষ রয়ের বলে বোল্ড হন বাংলাদেশ দলের এই বাঁ-হাতি ওপেনার। আজমির করেন ৭ রান।
দু’ওপেনার মতো লজ্জা নিয়ে অগ্রণী ব্যাংকের পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা ফিরে যাননি। সকলেই দু’অংকের কোটা স্পর্শ করেছেন। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। তাই ১৭৬ রানেই গুটিয়ে যায় অগ্রণী ব্যাংকের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন উইকেটরক্ষক ধীমান ঘোষ। মোহামেডানের শুভাশিষ-কাজি অনিক-এনামুল হক ও বিপুল ২টি করে উইকেট নেন।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.