অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

সংসদ প্রতিবেদক

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দশম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান।

তিনি বলেন, এক বছর আগে কিছু পত্রিকার নিউজের কারণে আমি একটা অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশ দিয়েছিলাম। এক বছর পেরিয়ে গেছে আমি তার কোনো রেজাল্ট পাইনি। যদিও জবাবে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ওইসব নোটিশ বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। নোটিশগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এক বছর আগে দেয়া নিজের অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশের অবস্থা জানতে চান আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। এসময় অধিবেশনে সভাপতির আসনে বসা স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জবাবে বলেন, আপনার নোটিশটি গ্রহণ করা হয়েছিল এবং সেই সাথে আরো কয়েকজন এমপির নোটিশ গৃহিত হয়েছে। সেগুলো বিশেষ অধিকার কমিটিতে পেন্ডিং আছে এবং নোটিশগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এরইমধ্যে আরো কয়েকটি বিশেষ অধিকার ক্ষুন্নের নোটিশ এসেছে, সেগুলোও বিচেনাধীন আছে। সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানান স্পিকার।

বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশের জবাব চেয়ে শামীম ওসমান বলেন, এক বছর আগে কিছু পত্রিকার নিউজের কারণে আমি একটা অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশ দিয়েছিলাম। এক বছর পেরিয়ে গেছে আমি তার কোনো রেজাল্ট পাইনি।

তিনি বলেন, যেসব পত্রিকা আমাদের বিরুদ্ধে লিখছে বিশেষ করে যে পত্রিকারা এক এগারো সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল অথবা নবীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিল কিংবা আমার নেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাঁড় করেছিল। তারা নতুন করে আবারও সংসদ সদস্যদের চরিত্রহরণ শুরু করেছে।

স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শামীম ওসমান বলেন, আমার এলাকাতে আমার ব্যাপারে লিখতে লিখতে ক্লান্ত হয়ে গেছে। এমনকি ওই পত্রিকার সম্পাদক খোদ নিজে গিয়ে হাজির হচ্ছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন। যদি দেখা যায় একজন এমপি ন্যায় বিচার চেয়ে অধিকার ক্ষুণ্ণের নোটিশ দেয়ার একবছর পরেও কোনো রেজাল্ট নেই। তাহলে আমরা কোথায় যাবো।

তিনি বলেন, দেশে সৎ সাংবাদিকের সংখ্যা ৯৯ শতাংশ আর অসৎ সাংবাদিকের সংখ্যা মাত্র এক শতাংশ। অসৎ সাংবাদিকরা যারা আছেন যারা সংবাদ মাধ্যমকে অন্য কিছু হিসেবে বেছে নিয়েছেন, তাদের যারা সংবাদপত্রকে বা সংবাদ মাধ্যমকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্তন করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান। তারা বার বার ক্ষত বিক্ষত করবে। গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন আকার ইঙ্গিতে বিভিন্ন ধরণের নিউজের মাধ্যমে দেশকে অশান্ত করার ষ্টো করছে। তারা বার বার ক্ষত বিক্ষত করবে। তাদের বিরুদ্ধে আমি লড়াই করে অভ্যস্থ। আমি সত্যের সাথে আছি। এ ধরণের নোটিশ কেউ দেয় না আমি দিয়েছি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.