ঢাকা, শনিবার,২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আরো খবর

সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী

বুড়িগঙ্গায় যমুনার পানি আসবে ২০২০ সালে

সংসদ প্রতিবেদক

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট
বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে শুষ্ক মওসুমে যমুনা থেকে পানি আনার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। এ খাতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক হাজার ১২৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আগামী ২০২০ সালের জুন নাগাদ শেষ হবে আলোচ্য এই প্রকল্পের কাজ। একই সাথে বর্তমান সরকার বিগত সাড়ে আট বছরে পানিসম্পদ খাতে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১১৬টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। চলতি অর্থবছরে আরো ২১টি প্রকল্প শেষ হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদকে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক জেপির চেয়ারম্যান পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এসব তথ্য জানান। 
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো: মামুনুর রশীদ কিরনের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বুড়িগঙ্গা পুনরুদ্ধার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় নিউ ধলেশ^রী, পুংলী, বংশাই ও তুরাগ নদী খননের মাধ্যমে যমুনা নদী থেকে শুষ্ক মওসুমে ২৪৫ ‘কিউসেক’ পানি প্রবাহ নিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে ১৪১ ‘কিউসেক’ পানি প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। এর ফলে শুষ্ক মওসুমে বুড়িগঙ্গা নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং পানির দূষণের মাত্রা হ্রাস পাবে।
একই দলের মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী বিগত সাড়ে আট বছরে পানিসম্পদ খাতে বাস্তবায়ন প্রকল্পগুলোর ফিরিস্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের পানিসম্পদের সার্বিক উন্নয়ন, যথাযথ ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পরিকল্পা ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পাশাপাশি বন্যা পূর্বাভাস, সতর্কীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ, নদীভাঙন রোধ ও নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষা, উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও হাওর-বাঁওড়ের উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে।
মন্ত্রীর দেয়া তথ্যানুযায়ী বিগত আট বছরে ৫৩৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ করা হয়েছে। নির্মিত হয়েছে ৯০২ বাঁধ। মেরামত বা সংস্কার করা হয়েছে আরো দুই হাজার ৫৯৪টি। সারা দেশে তৈরি করা হয়েছে ৯৪৮টি হাইড্রোলিক স্ট্রাকচার। খনন করা হয়েছে ১৭৫ কিলোমিটার সেচ ও ৪৭৮ কিলোমিটার নিষ্কাশন খাল। একই সময়ে ড্রেজিং ও পুনঃখনন করা হয়েছে ৮৯৬ কিলোমিটার নদী। নির্মাণ করা হয়েছে ৯৮টি কোজার, ৪৭টি ব্রিজ ও কালভার্ট ও ৩২ কিলোমিটার রাস্তা। ড্রেজিং সক্ষমতা বাড়াতে কেনা হয়েছে সাতটি ড্রেজার। এই সাড়ে আট বছরে সেচ সুবিধার আওতায় এসেছে নতুন ১ দশমিক ৮৫ লাখ হেক্টর জমি, আর বন্যানিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন সুবিধার আওতা ৩ দশমিক ৮৩ লাখ হেক্টর বেড়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫