চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে হুমকি  দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

নয়া দিগন্ত অনলাইন

চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে চীনের বিরুদ্ধে তিনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করার হুমকি দিয়েছেন।

এশিয়ার দুই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক মিত্রের বিরুদ্ধে ট্রাম্প মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দলের কয়েকজন কংগ্রেস সদস্যের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ হুমিক দেন।

ট্রাম্প অভিযোগ করেন, আমেরিকার স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম শিল্পকে চীন ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। বেইজিংয়ের এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে শূল্ক আরোপ ও কোটা ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।

স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম খাতে চীন ভর্তুকি দিচ্ছে বলে মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুটি রিপোর্ট উপস্থাপন করার পর ট্রাম্প এই হুমকি দিলেন। নির্মাণ ও যানবাহন তৈরির ক্ষেত্রে এ দুটি খুবই জরুরি পণ্য হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া, নিজ অর্থনীতি সবল রাখার জন্য চীন অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য ব্যাপকমাত্রায় স্টিল উৎপাদন করছে বলে অভিযোগ করছে আমেরিকা।

এ সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, আমি এমন কাজ করব যাতে আমেরিকার স্বার্থ খুব ভালোভাবে সংরক্ষিত হয়। এর মাধ্যমে ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়ার ইঙ্গিত দিলেন।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার নেয়া পদক্ষেপে ক্ষিপ্ত হয়েছেন ট্রাম্প। এ ক্ষেত্রে তিনি ২০১২ সালের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে সামনে এনেছেন। তিনি বলেছেন, এ চুক্তির আমেরিকার জন্য একটি ‘বিপর্যয়’।

ট্রাম্প বলেন, স্বচ্ছ চুক্তির জন্য ওয়াশিংটন নতুন করে আলোচনা করবে, না হলে এ চুক্তি বাতিল করা হবে। এ চুক্তির কারণে আমেরিকা বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

 

চীন-রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার মোকাবেলায় সামরিক বাজেট বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়াকে মোকাবেলা করার জন্য সামরিক বাজেট বাড়াতে কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগন। এই তিনটি দেশের পক্ষ থেকে সামরিক হুমকি বেড়ে যাওয়ার কারণে পেন্টাগন বিশাল এ বাজেট চেয়েছে বলে দাবি করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

২০১৯ সালে সামরিক খাতে ব্যয় করার জন্য পেন্টাগন সোমবার ৬৮ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বাজেট বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করেছে। আমেরিকার ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় সামরিক বাজেট হতে যাচ্ছে। বিশাল এ বাজেট বরাদ্দ হলে মার্কিন পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিও জোরদার করা হবে। পরমাণু অস্ত্র খাতে বাড়তি বাজেট চাওয়া হয়েছে তিন হাজার কোটি ডলার।

২০১৭ সালে আমেরিকা সামরিক খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দিয়েছিল তার চেয়ে এবার ৮ হাজার কোটি ডলার বেশি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। মার্কিন উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড এল. নরকুইস্ট সাংবাদিকদের জানান, চীন ও রাশিয়ার পক্ষ থেকে হুমকি মোকাবেলার জন্য এ বাজেট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিশ্বব্যাপী চীন ও রাশিয়া তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.