ঢাকা, শনিবার,২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

রাজনীতি

বিধান ত্রিপুরাকে সতর্ক করলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,মঙ্গলবার, ১৬:০৮


প্রিন্ট

গুলিভর্তি পিস্তলসহ হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী আটকের পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনায় ওই সময়ের উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরাকে সতর্ক করে এ বিষয়ে জারি করা রুল নিস্পতি করেছেন হাইকোর্ট।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বিধান ত্রিপুরা আদালতে হাজির হয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পিস্তলের লাইসেন্স দেখানোয় মানবিক কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে আদালত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হতে বলেন এবং বিধান ত্রিপুরাকে সতর্ক করেন।

আদালতে বিধান ত্রিপুরার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন ও অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি গুলিভর্তি পিস্তলসহ হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী আটকের পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনায় ওই সময়ের উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরাকে তলব করেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রুলের শুনানিকালে এই আদেশ দেন।
ওইদিন ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনায় বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর-ই-আজম মিয়া ও উপপরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত সাহার বিরুদ্ধে আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল।

কিন্তু আদেশ না দিয়ে আদালত পুলিশ কর্মকর্তাদের আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়নের উদ্দেশে বলেন, এখন তো আইননুসারে না হয়ে টেলিফোনেই সব হয়। উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরার মৌখিক নির্দেশেই গুলিভর্তি পিস্তলসহ আটক যাত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’ এরপর আদালত উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরাকে তলব করেন।

গত ২৪ জানুয়ারি এ ঘটনার জন্য আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন বিমানবন্দর থানার ওসি নূর-ই-আজম মিয়া ও এসআই সুকান্ত সাহা। নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের ভর্ৎসনা করেন।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রকাশিত খবরটি আদালতের নজরে আনেন আইন কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদ। আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারির পাশাপাশি বিমানবন্দর থানার ওসি ও এসআইকে তলব করেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫