ঢাকা, শনিবার,২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

আইন ও বিচার

শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূর করতে পদক্ষেপ জানানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,সোমবার, ২০:৪৪


প্রিন্ট

সংশোধীত শিশু আইন-২০১৩ এর অস্পষ্টতা দূর করতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা আগামী রোববারের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসাথে সমাজকল্যাণ সচিবকে এ বিষয়ে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমম্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ নভেম্বর শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিচার কোন আইনে, কোন আদালতে হবে, তা স্পষ্ট করতে শিশু আইন-২০১৩ সংশোধনে সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেন হাইকোর্ট। গত ১৫ জানুয়ারি শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিচারে স্পষ্ট আইন তৈরি করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক শিশু আইনের সংশোধীত খসড়া আদালতে দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালতে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ। এসময় আইন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ওই প্রতিবেদনের সাথে খসড়া সংশোধনী প্রস্তাবও আদালতে দাখিল করেন তিনি।

বিদ্যমান আইনের ১৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৯ অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাই থাকুক না কেন, শিশুকে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর সাথে কোনো অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করে এক সাথে চার্জশিট দেয়া যাবে না।

এদিকে সংশোধিত খসড়ায় এই ১৫(১) ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনা আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে পুলিশ রিপোর্ট বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করে দাখিল করতে হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫