ঢাকা, রবিবার,১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

কানাডায় শিক্ষার্থীদের ঠিকানায় সেক্স টয়

বিবিসি বাংলা

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,বুধবার, ১৩:৩১


প্রিন্ট
কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠনের বরাবরে পাঠানো পার্সেলে করে সেক্স টয় পাঠানোর ঘটনাকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে।

কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠনের বরাবরে পাঠানো পার্সেলে করে সেক্স টয় পাঠানোর ঘটনাকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে।

কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠনের বরাবরে পাঠানো পার্সেলে করে সেক্স টয় পাঠানোর ঘটনাকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। শুধু যৌন খেলনা নয়, প্যাকেটগুলোর ভেতর থেকে ফোনের চার্জার, ইয়ার-ফোন, বৈদ্যুতিক বাতি এবং আইপ্যাড কেসও বের হয়ে আসে।

ছাত্র সংগঠনগুলোর ইউনিয়নের সভাপতি তানজিত নাগরা সিবিসিকে বলেন, "আমরা যে এরকম ধরনের প্যাকেট পাচ্ছি সে বিষয়টিকে আমার কাছে অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে"।

তিনি আরও বলেন, "সত্যি কথা বলতে কি প্রথমে ভেবেছিলাম কেউ বোধহয় এগুলোর অর্ডার করেছিল, এবং হয়তো লজ্জায় সে পরে আর এটি গ্রহণ করছে না। কিন্তু পরে যখন দেখলাম কানাডাজুড়ে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কাছেই একইধরনের জিনিস পাঠানো তখন আমরা মনে করলাম যে, হ্যাঁ কিছু একটা এখানে ঘটছে"।

অনলাইনে পণ্য বিক্রির ওয়েবসাইট অ্যামাজনের মাধ্যমে ১০টিরও বেশি ছাত্র সংগঠনের কাছে এগুলো পাঠানো হয়েছে । গত নভেম্বর মাস থেকে কোন কোন সংগঠন এরকম ১৫টিরও বেশি পার্সেল পেয়েছে । অনেকেই মনে করছেন এর পেছনে সংঘবদ্ধ একদল চক্রান্তকারী রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশি তদন্তেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি চীনা কোনও প্রতিষ্ঠানের একধরনের বিপণন কৌশল হতে পারে।

তারা আরো জানিয়েছে, যেহেতু তৃতীয় একটি পক্ষ এগুলো কিনেছিল, এসব পণ্য ফেরত নেয়া সম্ভব নয় । প্রতিষ্ঠানটি এ বিষয়ে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোকে তারা বলেছে, এসব সেক্স টয় প্রকৃতপক্ষে কারা কিনেছে সে বিষয়ে তথ্য দেবেনা তারা। কারণ গোপনীয়তার নীতি অনুসারে তাদের বিষয়ে তথ্য গোপন রাখা হবে।

এদিকে মানিটোবা ইউনিভার্সিটির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের কাছে আসা সেক্স টয়গুলো সমকামী ছাত্রদের একটি সংগঠনে দিয়ে দেয়া হয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫