ঢাকা, শনিবার,২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

রাশিয়াকে রুখতে আমেরিকার ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক পরমাণু অস্ত্র!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১৩:৩০ | আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১৩:৪১


প্রিন্ট
রাশিয়াকে রুখতে আমেরিকার ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক পরমাণু অস্ত্র!

রাশিয়াকে রুখতে আমেরিকার ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক পরমাণু অস্ত্র!

মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদফতর পেন্টাগন নতুন পরমাণু নীতি ঘোষণা করেছে। এতে দাবি করা হচ্ছে, মস্কোকে মোকাবেলায় ছোট আণবিক অস্ত্র তৈরি করবে আমেরিকা।

‘নিউক্লিয়ার পোসচার রিভিউ’ বা এনআরপি নামে শুক্রবার মার্কিন এ নীতি প্রকাশ করা হয়। রাশিয়াকে মোকাবেলা করার উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করল পেন্টাগন যার মাধ্যমে ওবামা আমলের পরমাণু নীতির অবসান হলো বলে মনে করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পরমাণু অস্ত্রের ভূমিকা কমিয়ে আনার নীতি গ্রহণ করেছিলেন। পাশাপাশি পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যাও কমানোর নীতি অনুসরণ করেছিলেন তিনি।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস সূচনা বক্তব্যে নতুন নীতির পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, এটা হচ্ছে বাস্তবতার নিরীখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং বিশ্ব বিষয়টি সেভাবেই দেখবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার পরমাণু সক্ষমতা বাড়ানো এবং তাদের কৌশল ও অস্ত্রের ধরনের মোকাবলায় মার্কিন সরকার এ ব্যবস্থা নিচ্ছে।

পেন্টাগন ধারণা করছে, রাশিয়া মনে করে আমেরিকার পরমাণু অস্ত্র এতো বেশি বড় যে, তা খুব বেশি কার্যকরী নয়। সে কারণে পেন্টাগন ছোট আকারের পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে।

আমেরিকা যদিও ছোট পরমাণু অস্ত্র বানানোর কথা বলছে যার শক্তি হবে ২০ কিলোটনের কম তারপরও তা অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে আমেরিকা যে বোমা ফেলেছিল, এসব ছোট পরমাণু বোমার ধ্বংস-ক্ষমতা তার মতোই হবে। আমেরিকার হাতে ব্যাপক ধ্বংস-ক্ষমতার হাজার হাজার পরমাণু বোমা রয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন শুক্রবার জোর দিয়ে বলেছেন, মাদক চোরাচালান বিরোধী লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সহযোগিতা জোরদার করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেক্সিকো বিরোধী বক্তব্যের প্রভাব ঝেড়ে ফেলে তারা এ সহযোগিতা জোরদার করে। খবর এএফপি’র।

মেক্সিকান অভিবাসন, নর্থ আমেরিকান ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট এবং সীমান্ত দেয়াল নির্মাণ করা বিষয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের ব্যাপারে তার আক্রমণাত্মক বক্তব্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

সমালোচকরা বলছেন, তিনি মিত্র ও প্রতিবেশী দেশের সাথে বিপন্ন মার্কিন সম্পর্কের ঝুঁকি নিচ্ছেন। নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন ওয়াশিংটনের।

টিলারসন এই প্রথমবারের মতো তার গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন আমেরিকা সফর শুরু করেছেন। এ সফরে তিনি ও মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’দেশের মধ্যে থাকা যে কোন উত্তেজনা প্রশমনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং তারা আন্তর্জাতিক মাদক বাণিজ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।

মেক্সিকো সিটিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইস ভিদাগারে ও কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিশ্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর টিলারসন বলেন, ‘কোকেন, হিরোইনসহ সব ধরণের মাদকের ভয়ংকর প্রভাব রোধে আমরা ভিন্ন আঙ্গিকের সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরী করছি।’

তিনি বলেন, ‘এই মাদক আমেরিকা, মেক্সিকো ও কানাডার নাগরিকদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

গত অক্টোবর মাসে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে আফিম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এক্ষেত্রে পরস্পরকে দোষারোপ না করে সহযোগিতার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

পরে টিলারসন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতোর সঙ্গে সাক্ষাত করে বলেছেন, তারা দু’দেশের মধ্যে থাকা সম্পর্ক জোরদারের ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫