ঢাকা, বুধবার,২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বিবিধ

সেঞ্চুরিয়ান রোশনকে বিদায় করলেন মিরাজ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১০:২৮ | আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,শনিবার, ১১:৪০


প্রিন্ট
মেহেদী হাসান মিরাজ

মেহেদী হাসান মিরাজ

অবশেষে দিনের প্রথম উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ। সেঞ্চুরি করা রোশন সিলভাকে সাজঘরে ফেরালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এটি তার দ্বিতীয় উইকেট। এর আগে দ্বিতীয় দিনে শ্রীলঙ্কার প্রথম উইকেটের পতন ঘটিয়েছিলেন তিনি।

২৩০ বলে ১০৯ রান করে মাঠ ছাড়েন রোশন। অনবদ্য ইনিংসে ছিল ছয়টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা। এখন ক্রিজে আছেন চান্দিমাল (৬১) ও ডিকওয়েলা (২)।

শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৫২ রান।

 

‘শ্রীলঙ্কাই এগিয়ে’

চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে শ্রীলঙ্কার ড্রেসিংরুমে স্বস্তি। বাংলাদেশের বোলারদের মোকাবেলা করে যেভাবে ব্যাটিং তারা করেছেন তাতে ওটা হওয়াই স্বাভাবিক। এতে করে প্রথম ইনিংসে ৫১৩ রান করেও চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা এ ম্যাচ সেভ করে ফেলেছে এটা নিশ্চিত। শেষ দুই দিনের আজ সারাদিন ব্যাটিং করে বড় এক লিড নিয়ে যদি ছেড়ে দেয় বাংলাদেশকে। সেখানে বরং পঞ্চম দিনে ব্যাটিং করতে যেয়ে ঝামেলায় না পড়ে যায় সেটাই এখন টেনশনের কারণ।

কাল বাংলাদেশ দলের টেকনিক্যাল ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ জানালেন, ‘অবশ্যই শ্রীলঙ্কা ভালো অবস্থানে আছে। কাল (আজ) সকাল থেকেই তাদের উইকেট নিতে হবে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে আমাদের ভালো ব্যাটিং করতে হবে। উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো আছে। শেষ দিনেও হয়তো ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো থাকবে।’ আজ প্রথম সেশনটির দিকে তাকিয়ে সুজন বলেন, ‘এখন লক্ষ্য একটাই সেটা হলো তাদের কত দ্রুত আউট করতে পারি। চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টায় দুই-তিনটা উইকেট নিতে পারলে আমরাও হয়তো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবো। তবে এজন্য আমাদের আরো ভালো বোলিং-ব্যাটিং করতে হবে।’

টেস্ট শুরুর আগে গুঞ্জন ছিল সাগরিকার পিচ স্পিনবান্ধব। কিন্তু সিরিজের প্রথম টেস্টের তিন দিন শেষে মাত্র ১৩ উইকেটের বিনিময়ে ১০১৭ রান করতে পেরেছে দুই দল। ইতোমধ্যে দুই দলই ৫ শ’র বেশি রান জড়ো করে ফেলেছে। তারপরও উইকেট নিয়ে কোনো অজুহাত দিতে চান না সুজন, ‘উইকেট নিয়ে আসলে আমি অজুহাত দিতে রাজি নই। অভিযোগও করতে চাই না।’

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫