মিথিলার উপস্থাপনায়  বেড়ে ওঠার গল্প
মিথিলার উপস্থাপনায় বেড়ে ওঠার গল্প

মিথিলার উপস্থাপনায় বেড়ে ওঠার গল্প

আলমগীর কবীর

‘ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল’ এ দীর্ঘ দিন ধরে চাকরি করছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মিথিলা। বর্তমানে তিনি এর ‘আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপম্যান্ট’র প্রধান হিসেবে কর্মরত। শিশুদের নিয়েই কাজ করেন তিনি। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে শিশুদের নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণেরও ইচ্ছে আছে গুণী এই অভিনেত্রীর। তবে আপাতত সেই ইচ্ছেটাকে দূরে রেখে শিশুদের কল্যাণের জন্য রেডিও স্বাধীনর জন্য একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে যাচ্ছেন। অনুষ্ঠানের নাম ‘বেড়ে ওঠার গল্প’।

‘ব্র্যাক’র সহযোগিতায় মিথিলার উপস্থাপনায় সরাসরি এই অনুষ্ঠানটি আগামী মার্চ মাস থেকে সপ্তাহে একদিন প্রচার হবে টানা দুই ঘণ্টা। এই অনুষ্ঠানে শিশুবিষয়ক বিভিন্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। বাবা-মায়েরা সরাসরি এই অনুষ্ঠানে শিশুবিষয়ক নানান ধরনের প্রশ্ন করতে পারবেন।

মিথিলা বলেন, ‘এই ধরনের একটি অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা আমার দীর্ঘ দিনের। আমার অনেকদিনের স্বপ্নও বলাচলে। ব্র্যাক এবং রেডিও স্বাধীনের সহযোগিতায় অবশেষে এই অনুষ্ঠানটি করতে পারছি। আশা করছি শিশুদের জন্য ভীষণ উপকারী একটি অনুষ্ঠান হবে এটি।’

এ দিকে এবারই প্রথম তিনি একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাও আবার কলকাতার। পার্থ সেনের নির্দেশনায় ‘মুুখোমুখি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। টানা দুই দিনের শুটিং শেষ করে গেল সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরেন মিথিলা। এই চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে আছেন কলকাতার সব্যসাচীর ছেলে গৌরব চক্রবর্তী। হঠাৎ কেনই বা অভিনয় করলেন এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিথিলা বলেন, ‘আমি এর আগে অনেক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছি; কিন্তু আমি করিনি। মুখোমুখিতে কাজ করার প্রধান কারণ হচ্ছে এর গল্প আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। পার্থ দা গুণী একজন নির্মাতা। সবাই জানে যে আমি খুব কম কাজ করি। ভালো ভালো কাজ করারই ইচ্ছে আমার শুরু থেকে। যে কারণে বিশেষ বিশেষ দিবসগুলোতেই আমি কাজ করি। মুখোমুখি একটা ভিন্নধরনের কাজ হয়েছে। কাজটি করে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি সত্যিই খুব আশাবাদী কাজটি নিয়ে।’

স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয় করলেন, সামনে কী তাহলে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ে আপনাকে পাওয়া যাবে? ‘এটা আসলে নিশ্চিত করে বলাটা কঠিন। হতেও পারে নাও হতে পারে। আমি কিন্তু এর আগেও বলেছিলাম যে গল্প ভালো লাগলে আমি কাজ করব। না ভালো লাগলেতো জোর করে কাজ করবো না’ বললেন মিথিলা। তবে এক্ষেত্রে সারপ্রাইজ আছে, এমন ইঙ্গিতও দিলেন তিনি। মিথিলা , আর ক’টা দিন দেশে থাকবেন। এরপর ভাষার মাসে উড়াল দেবেন অফিসেরই কাজে আফ্রিকাতে। প্রায় এক মাস সেখানে থাকবেন। বিদেশের মাটিতে থাকলেও সবসময়ই মন পড়ে থাকে তার দেশে। কারণ এই দেশের মাটির গন্ধে ভরে উঠে তার মন।

ছবি : মোহসীন আহমেদ কাওছার

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.