আদালতে অভিযুক্ত ড্যারেন অসবোর্ন
আদালতে অভিযুক্ত ড্যারেন অসবোর্ন

‘যত বেশি সম্ভব মুসলিম মারতে চেয়েছি’

নয়া দিগন্ত অনলাইন

লন্ডনে মসজিদের কাছে মানুষের ওপর ভ্যান চালিয়ে দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি আদালতে বলেছেন, তিনি যত বেশি সংখ্যায় সম্ভব মুসলমানদের হত্যা করতে চেয়েছিলেন।

ড্যারেন অসবোর্নের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উত্তর লন্ডনের ফিন্সবারি পার্ক এলাকায় মসজিদে কাছে তিনি মুসল্লিদের ওপর ভ্যান উঠিয়ে দেন।

এতে মাকরাম আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হন এবং আহত হন আরও নয় জন।

ঘটনাটি ঘটে গত বছর।

আদালতের কাঠগড়ায় দাড়িয়ে মি. অসবোর্ন বলেন, সন্ত্রাসবাদের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং তাই মুসলমানদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে চাইছিলেন।

তার বিরুদ্ধে খুন এবং খুনের চেষ্টা অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদালতে বাদী পক্ষ অভিযোগ করেন, গত ১৯শে জুন মি. অসবোর্ন ভ্যান চালিয়ে লুটন থেকে লন্ডনে আসেন এবং রাত বারোটার দিকে ঐ হামলা চালান।

তারাবির নামাজের জন্য ঐ সময়ে জায়গাটি মুসল্লিতে পরিপূর্ণ ছিল।

পুলিশ তার ভ্যান থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে যেখানে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের গালাগাল করা হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

ভারতে গরুর গোশত খাওয়ার অপরাধে দু`জন মুসলমান নারীকে গণধর্ষণ
বিবিসি, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬
ভারতের এক নারী অভিযোগ করেছেন, গরুর গোশত খাওয়ার অপরাধে তাকে এবং তার ১৪-বছর বয়সী বোনকে গণধর্ষণ করা হয়েছে।

বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যে চার ব্যক্তি তাদের ধর্ষণ করেছে, তারা সে সময় বলেছিল যে গরুর গোশত খাওয়ার জন্যই তাদের শ্লীলতাহানী করা হচ্ছে।

তবে এই দুই নারী গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

হরিয়ানা রাজ্যের মেওয়াটে দু`সপ্তাহ আগে একদল জঙ্গী হিন্দু এক বাড়িতে হামলা চালিয়ে একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে পিটিয়ে হত্যা করে।

সে সময় এই দুই নারীও নির্যাতনের শিকার হন। তবে সে সময় তাদের ধর্ষণের কথাটি জানাজানি হয়নি।

ঐ হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করেছে।

ভারতের রাজধানী দিল্লির থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে বিজেপিশাসিত রাজ্য হরিয়ানায় গরুর গোশত খাওয়া বা বহন করা নিষিদ্ধ।

আইন করে সেখানে গো-সেবা কমিশন আর গরু জবাই বা পাচার রোখার জন্য একটি বিশেষ পুলিশ দলও তৈরি হয়েছে।

মেওয়াট জেলাটি মুসলমান-প্রধান এলাকা। এখানকার জনসংখ্যার প্রায় ৭০% মুসলমান।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.